‘অন্য পক্ষের’ বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ জামায়াতের

jamat-briefing-at-ec-1766579300

“কেউ অনেক সুযোগ-সুবিধা পাবেন, কেউ পাবেন না, এটা তো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হলো না,” বলেন এহসানুল মাহবুব।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার বিষয়ে ‘অন্য পক্ষের’ বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

বুধবার বিকালে দলটির একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেন।

পরে জামায়াতের সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের সাংবাদিকদের বলেন, “আজ আমাদের মূল দৃষ্টি ছিল আচরণবিধিতে।”

তিনি দাবি করেন, দলটির সম্ভাব্য প্রার্থীরা তফসিল ঘোষণার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই সারা দেশ থেকে তাদের পোস্টার-ব্যানার সরিয়ে নিয়েছেন।

“তবে বিভিন্ন স্থানে অন্য পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে।”

সহকারি সেক্রেটারি বলেন, “আজ এসব বিষয়ে ইসির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। এ ব্যাপারে আরও সক্রিয় হওয়া, দায়িত্ব পালন করা এবং একটি ‘লেভেল প্লেইং ফিল্ড’ নিশ্চিত করার জন্য বলেছি।”

ইসিতে জামায়াতের প্রতিনিধিরা অভিযোগ করেন, কোনো কোনো দলের সহায়তা কার্ড, নানা প্রতিশ্রুতি দেওয়ার প্রচারে আচরণবিধি লঙ্ঘিত হচ্ছে।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, “বড় একটি দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের কার্ড, বিভিন্ন ধরনের ওয়াদা করছেন যে, আমরা এত লাখ লাখ, এত কোটি কার্ড দিব, একেকটা কার্ডে এত হাজার, এত লাখ টাকা পাবেন, এই ধরনের অনেকগুলো ওয়াদা করছেন, যেটা আচরণবিধির সুনির্দিষ্ট খেলাফ।

“এ ব্যাপারে উনাদেরকে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আমরা বলেছি। যেখানেই যতটুকু আচরণবিধি লঙ্ঘিত হচ্ছে, আমরা তাদের দৃষ্টিতে এনেছি।”

ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার, পোস্টাল ভোটিংয়ে নিবন্ধনের সুযোগ দেওয়াসহ কয়েকটি দাবি তুলে ধরার কথা জানান জামায়াতে ইসলামীর নেতারা।

এহসানুল মাহবুব বলেন, “সঙ্গে আমরা আরেকটি বিষয় বলেছি- আমাদের নেতৃবৃন্দ, যারা নির্বাচনে ভূমিকা রাখছেন, শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ব্যাপক সফর করবেন। বিভিন্ন জায়গায় তাদেরকে যেতে হবে, তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি আমরা দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।

“কেউ অনেক সুযোগ-সুবিধা পাবেন, ভিভিআইপি সুযোগ-সুবিধা পাবেন, আবার কেউ পাবেন না, এটা তো লেভেল প্লেং ফিল্ড হলো না। এই বিষয়টি উনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।”

Pin It