আজ শনিবার মাঠে গড়াচ্ছে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১০ম আসর। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠেয় এই বিশ্বকাপে খেলবে মোট ২০টি দল।
শুরুতে এই বিশ্বকাপে বাংলাদেশে থাকলেও নানা জটিলতায় শেষমেশ আর খেলা হচ্ছে না। শেষমেশ তাদের জায়গায় স্কটল্যান্ড সুযোগ পায় এই বিশ্বকাপে। যার ফলে সূচিতেও আনতে হয় পরিবর্তন।
পরিবর্তিত এই সূচিতে জায়গা পেয়েছে স্কটিশরা, বাদ পড়েছে বাংলাদেশ। এই সূচি দেখে নিন এক নজরে।
তারিখ ম্যাচ গ্রুপ সময় ভেন্যু
৭ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান-নেদারল্যান্ডস এ সকাল ১১:৩০ কলম্বো
৭ ফেব্রুয়ারি স্কটল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সি বিকাল ৩:৩০ কলকাতা
৭ ফেব্রুয়ারি ভারত-যুক্তরাষ্ট্র এ সন্ধ্যা ৭:৩০ মুম্বাই
৮ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ড-আফগানিস্তান ডি সকাল ১১:৩০ চেন্নাই
৮ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ড-নেপাল সি বিকাল ৩:৩০ মুম্বাই
৮ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কা-আয়ারল্যান্ড বি সন্ধ্যা ৭:৩০ কলম্বো
৯ ফেব্রুয়ারি স্কটল্যান্ড-ইতালি সি সকাল ১১:৩০ কলকাতা
৯ ফেব্রুয়ারি জিম্বাবুয়ে-ওমান বি বিকাল ৩:৩০ কলম্বো
৯ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকা-কানাডা ডি সন্ধ্যা ৭:৩০ আহমেদাবাদ
১০ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডস-নামিবিয়া এ সকাল ১১:৩০ দিল্লি
১০ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ড-আরব আমিরাত ডি বিকাল ৩:৩০ চেন্নাই
১০ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান-যুক্তরাষ্ট্র এ সন্ধ্যা ৭:৩০ কলম্বো
১১ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকা-আফগানিস্তান ডি সকাল ১১:৩০ আহমেদাবাদ
১১ ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়া-আয়ারল্যান্ড বি বিকাল ৩:৩০ কলম্বো
১১ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সি সন্ধ্যা ৭:৩০ মুম্বাই
১২ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কা-ওমান বি সকাল ১১:৩০ ক্যান্ডি
১২ ফেব্রুয়ারি নেপাল-ইতালি সি বিকাল ৩:৩০ মুম্বাই
১২ ফেব্রুয়ারি ভারত-নামিবিয়া এ সন্ধ্যা ৭:৩০ দিল্লি
১৩ ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়া-জিম্বাবুয়ে বি সকাল ১১:৩০ কলম্বো
১৩ ফেব্রুয়ারি কানাডা-সংযুক্ত আরব আমিরাত ডি বিকাল ৩:৩০ দিল্লি
১৩ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-নেদারল্যান্ডস এ সন্ধ্যা ৭:৩০ চেন্নাই
১৪ ফেব্রুয়ারি আয়ারল্যান্ড-ওমান বি সকাল ১১:৩০ কলম্বো
১৪ ফেব্রুয়ারি স্কটল্যান্ড-ইংল্যান্ড সি বিকাল ৩:৩০ কলকাতা
১৪ ফেব্রুয়ারি নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা ডি সন্ধ্যা ৭:৩০ আহমেদাবাদ
১৫ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজ-নেপাল সি সকাল ১১:৩০ মুম্বাই
১৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-নামিবিয়া এ বিকাল ৩:৩০ চেন্নাই
১৫ ফেব্রুয়ারি ভারত-পাকিস্তান এ সন্ধ্যা ৭:৩০ কলম্বো
১৬ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তান-আরব আমিরাত ডি সকাল ১১:৩০ দিল্লি
১৬ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ড-ইতালি সি বিকাল ৩:৩০ কলকাতা
১৬ ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়া-শ্রীলঙ্কা বি সন্ধ্যা ৭:৩০ ক্যান্ডি
১৭ ফেব্রুয়ারি নিউ জিল্যান্ড-কানাডা ডি সকাল ১১:৩০ চেন্নাই
১৭ ফেব্রুয়ারি আয়ারল্যান্ড-জিম্বাবুয়ে বি বিকাল ৩:৩০ ক্যান্ডি
১৭ ফেব্রুয়ারি স্কটল্যান্ড-নেপাল সি সন্ধ্যা ৭:৩০ মুম্বাই
১৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকা-সংযুক্ত আরব আমিরাত ডি সকাল ১১:৩০ দিল্লি
১৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান-নামিবিয়া এ বিকাল ৩:৩০ কলম্বো
১৮ ফেব্রুয়ারি ভারত-নেদারল্যান্ডস এ সন্ধ্যা ৭:৩০ আহমেদাবাদ
১৯ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজ-ইতালি সি সকাল ১১:৩০ কলকাতা
১৯ ফেব্রুয়ারি শ্রীলঙ্কা-জিম্বাবুয়ে বি বিকাল ৩:৩০ কলম্বো
১৯ ফেব্রুয়ারি আফগানিস্তান-কানাডা ডি সন্ধ্যা ৭:৩০ চেন্নাই
২০ ফেব্রুয়ারি অস্ট্রেলিয়া-ওমান বি সকাল ১১:৩০ ক্যান্ডি
সুপার এইট
তারিখ ম্যাচ গ্রুপ সময় ভেন্যু
২১ ফেব্রুয়ারি ডি১-এ২ সন্ধ্যা ৭:৩০ কলম্বো
২২ ফেব্রুয়ারি সি১-বি২ বিকাল ৩:৩০ ক্যান্ডি
২২ ফেব্রুয়ারি এ১-ডি২ সন্ধ্যা ৭:৩০ আহমেদাবাদ
২৩ ফেব্রুয়ারি বি১-সি২ সন্ধ্যা ৭:৩০ মুম্বাই
২৪ ফেব্রুয়ারি সি১-এ২ সন্ধ্যা ৭:৩০ ক্যান্ডি
২৫ ফেব্রুয়ারি ডি১-বি২ সন্ধ্যা ৭:৩০ কলম্বো
২৬ ফেব্রুয়ারি সি২-ডি২ বিকাল ৩:৩০ আহমেদাবাদ
২৬ ফেব্রুয়ারি এ১-বি১ সন্ধ্যা ৭:৩০ চেন্নাই
২৭ ফেব্রুয়ারি সি১-ডি১ সন্ধ্যা ৭:৩০ কলম্বো
২৮ ফেব্রুয়ারি এ২-বি২ সন্ধ্যা ৭:৩০ ক্যান্ডি
১ মার্চ বি১-ডি২ বিকাল ৩:৩০ দিল্লি
১ মার্চ এ১-সি২ সন্ধ্যা ৭:৩০ কলকাতা
সেমি-ফাইনাল
তারিখ প্রতিপক্ষ সময় ভেন্যু
৪ মার্চ ১ম সেমি-ফাইনাল সন্ধ্যা ৭:৩০ কলকাতা/ কলম্বো
৫ মার্চ ২য় সেমি-ফাইনাল সন্ধ্যা ৭:৩০ মুম্বাই
ফাইনাল
তারিখ ম্যাচ গ্রুপ সময় ভেন্যু
৮ মার্চ ফাইনাল সন্ধ্যা ৭:৩০ আহমেদাবাদ/ কলম্বো
‘টাকার বিনিময়ে স্বাধীনতা বিক্রি করে দিয়েছে আইসিসি’
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সাবেক প্রধান নির্বাহী হারুন লরগাত চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়া এবং ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। এই পরিস্থিতিকে তিনি বৈশ্বিক ক্রিকেট শাসনের বড় সংকেত হিসেবে দেখছেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক এই প্রশাসক বলেন, পাকিস্তান যদি সত্যিই ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলে, তাহলে সেটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক হবে। তিনি বলেন, ‘এটি একটি ব্যর্থ বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থার সতর্ক সংকেত। যেখানে প্রভাবশালী একটি সদস্য পুরো কাঠামোকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। ছোট বোর্ডগুলোর জন্য সেখানে কোনো ন্যায্য পথ নেই।’
হারুন লরগাতের মতে, আইসিসি এমন পরিবেশ তৈরি করেছে যেখানে শক্তিশালী বোর্ডের রাজনৈতিক স্বাচ্ছন্দ্যই অংশগ্রহণের নিয়ম ঠিক করে দেয়। তিনি বলেন, ‘যখন একটি বোর্ড শাস্তি ছাড়া ইচ্ছেমতো সরে দাঁড়াতে পারে, তখন বোঝা যায় দায়িত্ব পালনের নিয়ম সবার জন্য সমান নয়। এখানে নীতি নয়, শক্তিই শেষ কথা।’
তিনি মনে করেন, এই বয়কট আসলে বড় একটি শাসন সংকটের লক্ষণ। এটি কোনো একক রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়। তিনি বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে এটি এখন বৈশ্বিক বাস্তবতা। ন্যায়, সমতা ও সুবিচার আজকের নেতৃত্ব থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।’
ভূরাজনীতি ক্রিকেটের ওপর প্রভাব ফেলছে কি না, এমন প্রশ্নে লরগাত বলেন, আইসিসি অনেক আগেই নিজের স্বাধীনতা অর্থের কাছে বিক্রি করেছে। তিনি বলেন, ‘ভূরাজনীতি এখন ক্রিকেটের ওপর ছড়ি ঘোরাচ্ছে, তার কারণ আইসিসি অনেক আগেই তার স্বাধীনতাকে অর্থের কাছে বেঁচে দিয়েছে। যার ফলে একজন সদস্যের বাজার ক্ষমতা সময়সূচী, আয়োজন এবং নীতিকে রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ পেয়েছে। আইসিসি যদি উলফ রিপোর্টে সুপারিশকৃত সংস্কারগুলি বাস্তবায়ন করত, যেমন বোর্ড এবং ভোটিং কাঠামো, চাহিদা-ভিত্তিক তহবিল এবং নৈতিক সুরক্ষা ব্যবস্থা, তাহলে এই সংকট প্রশমিত করতে পারত। শাসন সংস্কার প্রত্যাখ্যান করে এবং রাজনৈতিক ও নির্বাহী কর্তৃত্ব (চেয়ারম্যান এবং সিইও) একটা জায়গায় কেন্দ্রীভূত করার মাধ্যমে আইসিসি কার্যত নিশ্চিত করেছে যে প্রভাবশালী সদস্যদের সাথে জড়িত যেকোনো বিরোধ ভূ-রাজনৈতিক সংঘর্ষে পরিণত হবে।’
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে কেন্দ্র করে অতিরিক্ত নির্ভরতার কথাও বলেন তিনি। তার মতে, আইসিসি নিজেই এই নির্ভরতা তৈরি করেছে। তিনি বলেন, ‘ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে বিশ্ব ক্রিকেটের আর্থিক কেন্দ্র বানানো হয়েছে। একটি ম্যাচ পুরো ব্যবস্থাকে নাড়িয়ে দিতে পারে। এটি ক্রীড়ানৈতিকতার চেয়ে শক্তিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার ফল।’
এই সংকট আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাজারমূল্যও কমাবে বলে মনে করেন লরগাত। তিনি বলেন, ‘বাণিজ্যিক অংশীদাররা আগেই কম মূল্য দিতে শুরু করেছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের চাপে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট দুর্বল হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘একটি বোর্ড যখন ৩৮.৫ শতাংশ আয় পায়, তখন বাকিদের টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়ে।’
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলও এই প্রভাব এড়াতে পারবে না বলে মনে করেন তিনি। তার মতে, বাংলাদেশের বাদ পড়া এবং পাকিস্তানের বয়কট এশীয় ক্রিকেটের ভিত নড়িয়ে দেবে। তিনি বলেন, ‘এতে বোঝা যায় নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব আর ন্যায্যতা বাণিজ্যের কাছে কতটা দুর্বল।’





