জবাবদিহি নিশ্চিতে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা চান তারেক রহমান

তারেক রহমানকে যা বললেন সম্পাদকরা

ইতিহাসের এক যুগসন্ধিক্ষণে তারেক রহমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিরে এসেছেন বলে মন্তব্য করেছেন দৈনিক মানব জমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী। তিনি বলেন, সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ-এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে সম্মিলিতভাবে করতে হবে।শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে জাতীয় সংবাদপত্র, রেডিও, টেলিভিশন, সংবাদ সংস্থা এবং অনলাইন মিডিয়ার সম্পাদক এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।সবাইকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা জানিয়ে যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান বলেন, আমার বয়স ৯১।বলতে পারেন আমি কিছু হাসিনা রোগে আক্রান্ত হয়েছি। এই কারণে বয়স ৯১ তো… অনেক কিছু কথা মনে পড়ে যায়। অনেক কিছু বলতে ইচ্ছে করে। কিন্তু সময় সংক্ষিপ্ত আমি সেটা বলবো না।তিনি বলেন, “আমি শুধু তারেক রহমানকে জানিয়ে রাখতে চাই, তিনি নিজেও জানেন না যে তিনি কি? সক্রেটিস একটা কথা বলেছিলেন নো দাই সেলফ… আজ জীবনের শেষ প্রান্তে আমি বুঝতে পারি এই ছোটবেলায় আমি পড়েছিলাম এই বাক্যটি নো দাই সেলফ… এত বড় মূল্যবান কথা কি? জানা দরকার জানলে পরে অনেক কিছু করা সম্ভব জীবিত অবস্থাতেই। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান জানতেন না যে তিনি কত পপুলার তার জানাজাতে অবিস্মরণীয় লোক হয়েছিল তখন। আর তারপর আমরা দেখলাম ম্যাডাম খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে সারা বাংলাদেশ হয়ে গেল জানাজার একটা ক্ষেত্র। এটাও একটা অভূতপূর্ব ঘটনা।

“তারেক জানেন না তিনি আসলেই কত জনপ্রিয়। আমি যখন জেলে গেলাম তখন জেল বন্দিরা সবাই তার কথা আমাকে জিজ্ঞাসা করতো। সবচেয়ে বড় কথা পুলিশরাই জিজ্ঞাসা করতো, যারা আমার রক্ষক তারাই জিজ্ঞাসা করত উনি কেমন জানি? আমি বলতাম উনি তো লন্ডনে বহু দূরে আছেন আর আমি আপনাদের এখানে আছি। এতোটাই শ্রদ্ধা করেন তারেক রহমানকে।”

তিনি বলেন, ‘‘এখন দেখছি তারেক রহমান সময় ম্যানটেইন করছে।
আমি লক্ষ্য করছি তার ওপর কিছু বিলাতি প্রভাব পড়েছে। আমি বলব তিনি একজন পরিবর্তিত মানুষ হয়ে গেছেন। এটা আমাদের জন্য সৌভাগ্যের বিষয়।”বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ওপর নিপীড়ন-নির্যাতন এবং কারাগারে স্বজনদের সাক্ষাৎ বঞ্চিত করা, সুচিকিৎসা না দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে সরকারের নীতির ক্ষোভ প্রকাশ করেন শফিক রেহমান।বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিভিন্ন ব্যাংক থেকে যাতে অর্থ লুটপাট বন্ধ করা, বাজারে দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখা এবং পুলিশ বাহিনীকে নৈতিকতা শিক্ষা দিয়ে সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে গড়ে তোলার বিষয়টি তারেক রহমান ক্ষমতায় গেলে নজর রাখবেন এমন প্রত্যাশার কথা জানান তিনি।ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, আমরা গণতন্ত্র, স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সুশাসন চাই। এটা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি এবং আপনাকেও (তারেক রহমান) নিশ্চয়ই অনেকে বলেছেন।তিনি আরও বলেন, একটি দু’টি বিষয়ে মনে হয় যথেষ্ট আলোচনা হচ্ছে না। সেটা হচ্ছে- বাংলাদেশের অগ্রগতির জন্য আগামীর চ্যালেঞ্জগুলো কী। আমি মনে করি, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ক্লাইমেট চেঞ্জ। এ নিয়ে কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলো অত আলোচনা করছে না। বাংলাদেশ কিন্তু একদম ফ্রন্টলাইন দেশের মধ্যে কয়েকটা। ক্লাইমেট চেঞ্জের কী যে ইমপ্যাক্ট হবে-এটা অলরেডি কোস্টাল এরিয়াতে দেখতে পাচ্ছি।‘‘আরেকটা হচ্ছে আমাদের পানি সম্পদ। আমরা পৃথিবীর অন্যতম কিন্তু মানে সম্পদশীল দেশ পানির ক্ষেত্রে। কিন্তু আমরা সমস্ত নদীকে দূষণ করছি। ইট ইজ কোয়াট ইনক্রিডেবল যে, আমরা কীভাবে নদী দূষণের দিকে যাচ্ছি এবং কিছুই করছি না। আমাদের আন্ডারগ্রাউন্ড ওয়াটার এখন প্রায় ৮০/৯০ নিচে চলে গেছে … উই হ্যাভ টু এড্রেস ইট।”

মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, ‘‘আমি এক তারেক রহমানকে চিনতাম ২৩ বছর আগে…আমি প্রথম ইলেকট্রনিক্স মিডিয়াতে প্রথম সাক্ষাৎকার নিয়েছিলাম….। আমি এখন দেখি ২৩  বছর বাদে তারেক রহমান বদলে গেছেন, আমুল পরিবর্তন হয়ে গেছে তার মধ্যে। অনেকে এটা বিশ্বাস করেন না। আমি কাছের থেকে জানি দেখেছি শুনেছি।”

‘‘আমরা লিখতে চাই, আমরা বলতে চাই। মিডিয়া ২০২৪ এর ৫ আগস্টের পর অনেকটাই স্বাধীন অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত। নিয়ন্ত্রিত এই কারণে বলছি মব ভায়োলেন্সের কারণে আমরা অনেকটাই সাহসী হতে পারছি না। আমাদের হাত পা বাধা হয়ে যাচ্ছে।”

তিনি বলেন, ‘‘মিডিয়া অফিসে যখন আগুন দেওয়া হয়, সংবাদপত্র অফিসে যখন আগুন দেওয়া হয় তখন কিন্তু আমার ভাবতে কষ্ট লাগে যে, আমরা জাহান্নামে আছি না বেহেশতে আছি। কষ্ট হয় গণতন্ত্রের কথা বলি আমরা। কিন্তু আমরা এখানে ওই দলবাজির চিন্তা করি যে দলের মধ্যে গিয়ে চিন্তা করি যে এটা কি আমাদের কাগজ না অন্যদের কাগজ? নাকি আমাদের বিরোধী? আমার মনে হয় তারেক রহমান সাহেব যে বদলে গেছেন বলছি এই কারণে তিনি দেখে এসেছেন, পাশ্চাত্য দুনিয়ায় কিভাবে মিডিয়া চলে। তার মধ্যে অনেক পরিবর্তন আছে।”

‘‘তারেক রহমানের কাছে আমাদের প্রত্যাশা। এক ইতিহাসের এক যুগসন্ধিক করে তিনি কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ফিরে এসেছেন। সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে সম্মিলিতভাবে করতে হবে। দলের মধ্য থেকেই যদি করার চেষ্টা করা হয় তাহলে অতীতের পথেই কিন্তু ভুল হবে এবং সেই ভুল থেকে আমরা অনেকে আবার এমন একটা অবস্থায় চলে যাব যেখান থেকে আমাদের ফিরে আসা কঠিন হবে। আজকের বাংলাদেশ অস্তিত্ব সংকটে যেভাবে পড়ে যাচ্ছে সেই সংকট থেকে, যে উগ্রবাদ আমাদের গ্রাস করার চেষ্টা করছে সেই উগ্রবাদ থেকে দেশকে মুক্ত করতে হলে তারেক রহমান ছাড়া এই মুহূর্তে আর কোনো বিকল্প নেই।”

‘সঞ্চালক জানান, আমরা একটা নিরাপত্তা বেষ্টনি এখানে তৈরি করেছিলাম। তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে সেই বেষ্টনী উঠিয়ে দিয়েছেন কারণ তিনি এই দূরত্ব রাখতে চান না।’

আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ফ্যাসিস্ট আমলে নিরযাতিত সাংবাদিকদের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘‘আমাদের গাজী ভাই মরহুম গাজী ভাই(রুহুল আমিন গাজী) তাকে ভুয়া মামলায় ক্যানসার আক্রান্ত গাজী ভাইকে ভুয়া মামলায় জেলখানায় রেখে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে, আমাদের ম্যাডামের (খালেদা জিয়ারে) মতো। দুর্ভাগ্যের বিষয় হল আজকে যারা মিডিয়ার স্টলও এখানে বসে আছেন তারা কেউ গাজী ভাইয়ের জন্য টু শব্দ উচ্চারণ করেন নাই। এটাই বাস্তবতা। আসাদ ভাইকে( আবুল আসাদ) আমাদের মধ্যে প্রবীণতম সম্পাদক তাকে ছাত্রলীগের গুন্ডারা অফিসে ঢুকে দাড়ি ধরে নামিয়ে পুলিশের কাছে তুলে দিয়েছে এবং বছরের পর বছর তিনি জেলে থেকেছেন… তিনিও অসুস্থ। তার স্ত্রী মারা গেছেন। তিনি তার স্ত্রীর পাশে থাকতে পারেন নাই। কারণ জেল থেকে বেরনোর পরেও তাকে পালিয়ে পালিয়ে থাকতে হয়েছিল। আসাদ ভাইয়ের জন্যে কোন এলেট সম্পাদক আওয়াজ তোলেন নাই। এটাই বাস্তবতা। বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের বাস্তবতা ছিল ১৬ বছর।”

‘‘আমি নাম বলব শফিক রহমান ভাইয়ের,  আমরা পাশাপাশি ছেলে জেলে ছিলাম। ৮০ বছর বয়সে শফিক ভাইকে মাটিতে শুয়ে থাকতে হয়েছে। টয়লেটে যেতে পারতেন না। কারণ ওই টয়লেটে কোমড ছিল না। বেশ কিছুদিন। শীতের মধ্যে মাটিতে পড়ে থাকতে হয়েছে, উনি উঠতে পারেন নাই। তারপরে যখন আমার পাশের রুমে আসলেন ওনাকে ধরে ধরে আমরা ব্রেকফাস্ট করতে, দুপুরে খেতে যেতাম। শফিক রহমানের জন্য কেউ আপনারা দাঁড়ান নাই এটাই ছিল ফ্যাসিবাদের চরিত্র। আরেকজনের নাম বলি, কনক সরোয়ার তার অপরাধ ছিল তিনি আজকের প্রধান ব্যক্তি তারেক রহমান সাহেবের একটা বক্তৃতা তিনি লাইভ চালিয়েছিলেন এই অপরাধে তাকে এক বছর প্রায় জেলে থাকতে হয়েছে….  শুধু তাই না তার বোনকে ভুয়া মামলায় মাসের পর মাস জেলে থাকতে হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের বিবেক জাগ্রত হয় নাই। এটাই বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমের ইতিহাস।”

তিনি বলেন, ‘‘আমি জনাব তারেক রহমানকে একটা ছোট্ট পরামর্শ দিয়েই বক্তব্য শেষ করব। শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। তিনি জানতেন না মুক্তিযুদ্ধ কীভাবে হয়েছে এবং তিনি ফিরে এসেও জানার চেষ্টা করেন নাই মুক্তিযুদ্ধ কীভাবে হয়েছে। তাকে আওয়ামী লীগের লোকজন যা বলেছে এবং ভারতীয় পক্ষ যা বলেছে সেটাকেই তিনি ধরে নিয়েছিলেন….এটাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ছিল। এজন্যই তিনি ব্যর্থ হয়েছিলেন।”

‘‘জনাব তারেক রহমান আপনি ১৭ বছর দেশে ছিলেন না। আপনি জানেন না, এখানে কি হয়েছে। আপনার বিশিষ্ট লোকজন আপনাকে যা বলেছে এটাই আপনি শুনেছেন। এখন যারা মিডিয়ার নতুন বন্ধুরা আপনাকে যেটা বলছে সেটাই আপনি শুনছেন এবং সেটাই আপনি মনে করছেন এটাই বাংলাদেশের ১৭ বছরের ইতিহাস। এটা না ১৭ বছরের ইতিহাস না। সেই ইতিহাস আমি বর্ণনা করবো ভবিষ্যতে যদি আপনি এরকম কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন এবং সেই অনুষ্ঠানে আমাকে ১৫ মিনিট সময় দেন।”

নিউজ এজের সম্পাদক নূরুল কবীর বলেন, এমন সময়ে সবাই সমবেত হয়েছি যখন একটা পুরনো স্বৈরতান্ত্রিক একটা ব্যবস্থা গণঅভ্যুত্থানের মুখে পতন ঘটেছে। যেই জন্যে মানুষের এত আত্মদান, সেই আত্মদানের ভিত্তিতে মানুষের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়ে উঠবার প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি আমরা। কিন্তু সেটা এখনো গড়ে ওঠে নাই।
তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মধ্যে আমরা রাজনীতির সংস্কৃতির নানা ধরনের প্রবণতা দেখেছি। এটার মধ্যে ডান, বাম, মধ্যবর্তী সকল রাজনৈতিক ধারা সক্রিয় ছিল। আবার এগুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নন, সাধারণভাবে একটা শান্তিপূর্ণ সামাজিক রাজনৈতিক অবস্থা দেখতে চান-এমন লক্ষ লক্ষ মানুষ ছিল। তাদের আত্মদান আছে। এই সময়ে পরস্পরকে দোষারোপ না করে রাজনৈতিকভাবে, সামাজিকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার দিকে এগোনোর আলোচনা হলে সময়ের প্রতি সুবিচার হবে।

নূরুল কবীর আরও বলেন, পৃথিবীতে এমন কোনো জায়গায় কখনোই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় নাই, যেখানে গণমাধ্যমের আইনগত, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ছিল না। ফলে গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম আর মিডিয়ার গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা এই দুইটা হাত ধরাধরি করে চলেছে। আমরা যদি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর চাই তাহলে অবশ্যই গণতান্ত্রিক রাজনীতির পাশাপাশি একটা গণতান্ত্রিক সাংবাদিকতার পরিবেশ থাকতে হবে।

কালের কণ্ঠের সম্পাদক জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ বলেন, “আমরা দেখেছি যে গোয়েন্দা শাসিত মিডিয়া, আমরা দেখেছি যে একটা রিক্রুটমেন্টের ক্ষেত্রেও গোয়েন্দাদের ডিক্টেশন আমাদের বাধ্য হয়ে হজম করতে হয়েছে। সেই অবস্থার পুনরাবৃত্তি আমরা চাই না। আমরা সত্যিকারের মত প্রকাশের স্বাধীনতা চাই যেটা শহীদ জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়ার সময় আমরা পেয়েছি।”

‘‘আমি তখন ছাত্র ছিলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার ছিলাম দৈনিক বাংলার। সেই দৈনিক বাংলা প্রতিহিংসার কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, যেটা সরকারি পত্রিকা ছিল না ট্রাস্টের পত্রিকা ছিল। যেটা সরকারি বিজ্ঞাপনে চলত, রাজস্ব বাজেটে চলতো না। আমরা দৈনিক বাংলাকে ফেরত চাই আগের অবস্থায় দৈনিক বাংলা চাই।”

তিনি বলেন, ‘‘আজকে এখানে আপনি মিলিত হয়েছেন। এটা ভালো। ঘন ঘন ইন্টার অ্যাকশন হলে আপনারা উপকৃত হবেন, আমরা উপকত হব। আমরা কেউ কারো প্রতিপক্ষ নই। সবাই আমরা দেশপ্রেমিক, সবাই আমরা দেশের ভালো চাই।”

‘‘আমাদের উদ্দেশ্যে সাংঘর্ষিক নয়, আমরা পরিপুরকম, আমরা ওয়াচডগ হিসেবে বস্তুনিষ্ঠ ভাবে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে আপনাদের ভুল ত্রুটি ধরিয়ে দিতে চাই। ”

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী বলেন, ‘‘১৭ বছর টানা বিদেশে থাকাটা খুব কঠিন বিষয়। যখন আপনি নিশ্চিত করে জানেন যে চাইলেও আপনি একদিনের জন্য বা দুদিনের জন্য দেশে ফিরতে পারবেন না। আমার কিছুদিন বিদেশে থাকার অভিজ্ঞতা হয়েছে। আমি জানতাম যে, আমি চাইলে দেশে যেতে পারব।”

‘‘আপনি আসতে পেরেছেন? স্বপ্ন নিয়ে এসেছেন, একটা পরিকল্পনার কথা বলেছেন, পরিকল্পনা আছে আপনার। আমি শুধু বলতে চাই যে, আপনার সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন হোক, পরিকল্পনাটা বাস্তবায়ন হোক। আপনাকে শুভেচ্ছা জানাই, অভিনন্দন জানাই, ভালো থাকুন।”

Pin It