প্রতিবছর শীতের সময় রাজধানী ঢাকায় বায়ুদূষণ বাড়ে। এবার বৃষ্টির দেখা নেই। তাই আবহাওয়া শুষ্ক থাকায় এই মেগাসিটিতে বেশিরভাগ সময় দূষণের মাত্রা বেশিই থাকছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, এ সময় বিশ্বে দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশের ঢাকা। শহরটির স্কোর ২৫৩। বায়ুমানের এই স্কোর ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় ঢাকার স্কোর ছিল ২৪৬। বায়ুমানের এই স্কোরও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’।
পাকিস্তানের লাহোরে দূষণের মাত্রা কিছুটা কম থাকলেও বায়ুমানের স্কোর প্রায় একই ক্যাটাগরিতে রয়েছে। তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে শহরটির স্কোর ২২৫। তবে দেশটির আরেকটি শহর করাচির বাতাসে উন্নতি ঘটেছে। নবম অবস্থানে থাকা শহরটির স্কোর ১৩৪।
এদিকে, তালিকার তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। এই শহরের স্কোর ১৮৭। বায়ুমানের এই স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। চতুর্থ অবস্থানে থাকা দেশটির আরেকটি শহর কোলকাতার স্কোরও প্রায় কাছাকাছি, ১৮৪।
এছাড়া ১৭৮ স্কোর নিয়ে তালিকার পঞ্চম অবস্থানে নেপালের কাঠমান্ডু, ১৭২ স্কোর নিয়ে ষষ্ঠ অবস্থানে সেনেগালের ডাকার, ১৫৮ স্কোর নিয়ে সপ্তম অবস্থানে ভিয়েতনামের হ্যানয়, ১৫৭ স্কোর নিয়ে অষ্টম অবস্থানে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন।
একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়।
২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। এ ছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা একিউআই ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।





