নুরকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য রেজা কিবরিয়ার

Untitled-1-Recovered-6967966520903

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া ড. রেজা কিবরিয়া। তিনি বলেছেন, নুরের সঙ্গে তিন জায়গায় মোসাদের (ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা) মিটিং হয়েছে। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

রেজা কিবরিয়া এক সময় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি পদে ছিলেন। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি থাকাকালে নুর ছিলেন সাধারণ সম্পাদক পদে। পরে দুজনের মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকট হয়। রেজা কিবরিয়া নুরকে ছেড়ে চলে আসেন।

মোসাদকাণ্ড নিযে রেজা কিবরিয়া বলেন, আগে থেকে জানতাম না। তারপর মিটিংয়ের তথ্য প্রকাশ হয়ে গেল মিডিয়াতে। তারপরে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত বললেন, তার (নুরুল হক নুর) সঙ্গে ৩টা জায়গায় মোসাদের মিটিং হয়েছে। তখন আমি জিনিসটা একেবারে নিশ্চিত হতে পারলাম।

বিভিন্ন সময়ে একাধিক দল বদলের বিষয়েও কথা বলেছেন রেজা। তিনি বলেন, প্রথমে আমি ছিলাম গণফোরামে, এটা ঠিক। কিন্তু ওখানে বিভিন্ন কারণে দলের মধ্যে কোন্দল হচ্ছিল। এমপি সংসদে যাবে কিনা এটা নিয়ে দল বিভক্ত হয়ে গেল। এক গ্রুপ তাকে সংসদ বর্জন করতে বলেছিল, আরেক দল বলেছিল হি শুড জয়েন।

গণঅধিকার পরিষদ গঠন ও নুরের সঙ্গে রাজনীতি প্রসঙ্গে রেজা কিবরিয়া বলেন, জাফরুল্লাহ চৌধুরী (গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা) সাহেবের কথায়, ডক্টর জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে খুব সম্মান করতাম, উনি আমাকে খুব জোর দিলেন ওখানে যেতে। আমি ওখানে কিছুদিন ছিলাম, কিন্তু আমি ওখানে থাকার কোনো প্রশ্ন ওঠে না। যেখানে ইসরাইলিদের অধীনে তারা চলে, ইসরাইলিদের টাকায় যে দল চলে, আমি ওখানে থাকতে পারি না।

ড. রেজা কিবরিয়াকে শোকজ

হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. রেজা কিবরিয়াকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৭ জানুয়ারি) নির্বাচন অনুসন্ধান এবং বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান ও বিচারক সায়দুর রহমান স্বাক্ষরিত এ নোটিশ রেজা কিবরিয়ার কাছে পাঠানো হয়।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নির্বাচনি বিচারক কমিটির চেয়ারম্যান তাকে নোটিশ করেছেন। আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে আমরা সতর্ক অবস্থায় আছি।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, রেজা কিবরিয়া গত ২ জানুয়ারি নবীগঞ্জ উপজেলার ইমামবাড়ি বাজারে কর্মী-সমর্থক নিয়ে উপস্থিত জনগণের কাছে লিফলেট ও হ্যান্ডবিল বিতরণ করে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। প্রচারের ছবি এবং দলিলাদিসহ জিতু মিয়া সেন্টু নামে এক ব্যক্তি গত ৪ জানুয়ারি একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

এছাড়া ৩ জানুয়ারি একই উপজেলার পাঞ্জারাই বাজারে লিফলেট ও হ্যান্ডবিল তৈরি করে তিনি প্রচার চালান। এ প্রচারের ছবি ও দলিলাদিসহ মসফিকুজ্জামান চৌধুরী নোমান নামে এক ব্যক্তি ৪ জানুয়ারি কমিটির নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

এমতাবস্থায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে আনিত অভিযোগগুলো অনুসন্ধানপূর্বক আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কেন নির্বাচন কমিশন বরাবর পাঠানো হবে না— এ মর্মে আগামী ১৪ জানুয়ারির মধ্যে কমিটির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হলো।

Pin It