প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠন’ বিষয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ রোববার বেলা ৩টায় সচিবালয়ে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সভাকক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মন্ত্রীপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন।
২৬ ফেব্রুয়ারি একুশে পদক প্রদান ও বইমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গুণিজনদের হাতে একুশে পদক তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এরপর বিকেলে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এবারের বইমেলায় অংশগ্রহণকারী প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্টল ভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ করেছে সরকার। এ সিদ্ধান্তকে প্রকাশকরা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
অনুষ্ঠান দু’টি ঘিরে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে কে হচ্ছেন প্রার্থী?
ছেড়ে দেওয়া এ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান কিংবা মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে প্রার্থী করার দাবি তুলেছেন কেউ কেউ। এছাড়া সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় স্থানীয় নেতাদের মধ্যে, বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর (পাভেল), বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র রেজাউল করিম (বাদশা), বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বগুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র একেএম মাহবুবুর রহমান, বগুড়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাবেক সংসদ-সদস্য হেলালুজ্জামান তালুকদারের নাম শোনা যাচ্ছে।
বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন বলেন, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনের উপনির্বাচনে দলীয় প্রার্থী এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তফশিল ঘোষণার পরই যথাসময়ে দলের হাইকমান্ড থেকে প্রার্থিতার ঘোষণা দেওয়া হবে। বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ জিয়া পরিবারের আসন। অতীতে এ দুই আসনেই প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। এবারের নির্বাচনে বিপুল ভোটে দলের চেয়ারম্যান বিজয়ী হয়েছেন। উপনির্বাচনে জিয়া পরিবারের কেউ, নাকি অন্য কোনো নেতা প্রার্থী হবেন, সেই সিদ্ধান্ত দেবেন দলের চেয়ারম্যান।





