জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শুরুর দিকে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ অভিভাবক হিসেবে সহজেই আন্দোলনের অবসান ঘটাতে পারতেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু সেটি না করে তিনি তাদের ইতিহাসের নজিরবিহীন নৃশংসতার দিতে ঠেলে দিয়েছেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায়ে এমন মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।
রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেন, ‘সরকারি চাকরির নিয়োগে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শেখ হাসিনার সৌহাদ্যপূর্ণ পন্থায় মীমাংসায় পৌঁছানোর যথেষ্ট সুযোগ ছিল।
যে কোটা পদ্ধতি তিনি আগেই একবার সম্পূর্ণভাবে বাতিল করেছিলেন। কিন্তু একই ইস্যু আবার কোনোভাবে পুনরুজ্জীবিত হলো।’
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এ রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ের ওয়েবসাইটে।
গত ১৭ নভেম্বর একটি অভিযোগে ভারতে পলাতক ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া আরেকটি অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ড হয়।




