স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই প্রথম ম্যাচে ৮ উইকেট নিতে পারলেন কোনো বোলার।
পরপর দুই বলে দুই উইকেট নিয়ে সোনাম ইয়েশে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগালেন তিন দফায়। হ্যাটট্রিকের স্বাদ শেষ পর্যন্ত যদিও তিনি পেলেন না। তবে এমন এক কীর্তি গড়লেন বাঁহাতি এই স্পিনার, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে যা পারেননি আর কেউ।
মিয়ানমারের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে শুক্রবার ৪ ওভারে স্রেফ ৭ রানে ৮ উইকেট শিকার করেন ভুটানের সোনাম।
আন্তর্জাতিক কিংবা ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই প্রথম ম্যাচে ৮ উইকেট নিতে পারলেন কেউ।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এর আগে ম্যাচে ৭ উইকেট ছিল দুই জনের। ২০২৩ সালে চীনের বিপক্ষে ৮ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন মালয়েশিয়ার পেসার সিয়াজরুল ইদরুস। চলতি মাসের শুরুর দিকে ভুটানের বিপক্ষে ১৯ রানে ৭ উইকেট শিকার করেন বাহরাইনের পেসার আলি দাউদ।
এই তিন জন ছাড়া বিশ ওভারের ক্রিকেটে ম্যাচে ৭ উইকেট আছে আরও দুই জনের। ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে ১৮ রানে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন নেদারল্যান্ডসের অফ স্পিনার কলিন আকারম্যান। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বিপিএলে রাজশাহীর হয়ে ১৮ রানে ৭ উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ।
ভুটানের গেলেফুতে ১২৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নামা মিয়ানমারের ইনিংসের তৃতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসে প্রথম দুই বলে দুই উইকেট নেন সোনাম। এক বল পর আরেকটি শিকার ধরেন ২২ বছর বয়সী স্পিনার। এই ওভারে কোনো রান না দিয়েই ৩ উইকেট নেন তিনি।
টানা চার ওভারের স্পেলে দ্বিতীয় ওভারে ৩ রান দিয়ে তিনি উইকেট পান একটি। তৃতীয় ওভারে আবার পরপর দুই বলে পান দুটি উইকেট। এই ওভারে দেন ১ রান।
কোটার শেষ ওভারে তার তৃতীয় ও চতুর্থ বলে বিদায় নেন আরও দুই ব্যাটসম্যান। এই ওভারে আসে ৩ রান।
৯.২ ওভারে মিয়ানমারকে ৪৫ রানে গুটিয়ে ৮২ রানের বড় জয় পায় ভুটান। অনুমিতভাবে ম্যাচ-সেরার স্বীকৃতি পান সোনাম।
ভুটানের হয়ে ৩৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে সোনামের আগের সেরা বোলিং ছিল ৩১ রানে ৪ উইকেট। সব মিলিয়ে তার উইকেট হলো ৩৬টি। চলতি সিরিজের প্রথম ম্যাচে তার শিকার ছিল ১১ রানে ৩ উইকেট।





