“বিষয়টি আগেই ঠিক করা উচিত ছিল, তাদের তো এখন ঝামেলা হয়েছে,” বলেন ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ।
বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টির (সিপিবি) মনোনয়নপত্র বাতিলসহ সৃষ্ট জটিলতার জন্য নির্বাচন কমিশনকে দুষছেন দলটির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন।
তার দাবি, সব কাগজপত্র সঠিক সময়ে দেওয়ার পরেও ওয়েবসাইটে আপলোড না করার দায় নির্বাচন কমিশনকে নিতে হবে।
চন্দন বলেন, “আমাদের ৬৫ জনের মধ্যে এ পর্যন্ত ৩০ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। আর ১৭টা মনোনয়ন নির্বাচন কমিশনের ত্রুটির কারণে বাতিল হইছে। বাকিগুলোর সিদ্ধান্ত আগামীকাল (রোববার) হবে।
“আমাদের কোনো সমস্যা নাই, আমরা আমাদের পার্টির সম্মেলনের পরে ২৬ নভেম্বর সমস্ত কাগজপত্র নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছিলাম। নির্বাচন কমিশন সেগুলো ওয়েবসাইটে তোলে নাই এবং আমাদেরকে তারা সেটা জানায়ও নাই। বরং গত ২৮ তারিখে তারা ফোন করে আমাদের কাছ থেকে আমাদের প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারির যে নমিনেশন সাইন লাগে, সেটা আমাদের কাছ থেকে নিয়েছে। টেলিফোন করে আমাদের কাছ থেকে স্বাক্ষর নিয়েছে ওরা। তখনও তারা বলে নাই যে ওয়েবসাইটে নাই।”
তিনি বলেন, “আজ আমরা নির্বাচন কমিশনের সচিবের সঙ্গে বসছিলাম, বসে আমরা আলোচনাগুলো করছি এবং আমরা বলছি, এই যে যে বিষয়টা হইছে, এটা নির্বাচন কমিশনের ত্রুটির কারণে। এটা হলো যে, তারা আপলোড করেনি; এটা তাদের বিষয়। এজন্য আমরা সাফার করব কেন?
“আমরা বলছি, এটা সমাধান করেন। আমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, আগামীকালের মধ্যে এটা সমাধান হবে।”
সিপিবির মনোনয়নপত্রের জটিলতার বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শরফ উদ্দিন আহমদ বলেন, “দলটি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করবে বলে জানিয়েছে।”
মনোনয়নপত্রের ক্ষেত্রে দলীয় প্রধান কিংবা সাধারণ সম্পাদক বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত সমমর্যাদার নেতার সই থাকার বিষয়টি ইসি সচিবালয়ের আগে থেকে প্রস্তুত বা হালনাগাদ রাখা দরকার ছিল বলে মনে করেন একজন নির্বাচন কমিশনার।
সিপিবি প্রার্থীদের ভোগান্তির বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “বিষয়টি আগেই ঠিক করে রাখা উচিত ছিল, এখন আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ হলেও তাদের তো প্রবলেম হয়েছে, ঝামেলা হয়েছে। ঠিক করে রাখলে তো ঝামেলা হত না। ছোট প্রবলেম হলেও বড় হয়ে গেল। দেখা যাক, আপিলে তো রয়েছে।”





