বিপিএলের ইতিহাসে যোগ হলো এক অনন্য ও আবেগঘন অধ্যায়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কিংবদন্তি মোহাম্মদ নবীর উপস্থিতিতে তারই ছেলে হাসান ইসাখিল খেললেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস। একই দলে বাবা-ছেলের ঐতিহাসিক অভিষেকের দিনে ইসাখিলের বিধ্বংসী ব্যাটে চড়ে ১৮৪ রানের বড় পুঁজি সংগ্রহ করেছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস।
রোববার সন্ধ্যায় সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামে নোয়াখালী।
এই ম্যাচটি ছিল ১৯ বছর বয়সী উইকেটরক্ষক-ব্যাটার হাসান ইসাখিলের বিপিএল অভিষেক। আর অভিষেক ম্যাচেই তিনি খেললেন ৬০ বলে ৯২ রানের এক দানবীয় ইনিংস। দলের ইনিংসের ঠিক অর্ধেক বল একাই মোকাবিলা করে রানেরও অর্ধেকটা যোগ করেন এই আফগান তরুণ।
ইনিংসের শুরুতে সৌম্য সরকারের সঙ্গে ১০১ রানের জুটিতে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন ইসাখিল।
সৌম্য ২৫ বলে ৪৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে বিদায় নিলে দ্রুতই আরও দুটি উইকেট হারায় নোয়াখালী। এরপর ১৩তম ওভারে ক্রিজে আসেন বাবা মোহাম্মদ নবী। বিশ্ব ক্রিকেটে বিরল এক দৃশ্যের অবতারণা করে একসঙ্গে জুটি বাঁধেন বাবা ও ছেলে।
চতুর্থ উইকেটে এই আফগান জুটি মাত্র ৩০ বলে যোগ করেন ৫৩ রান।
নবীর উপস্থিতিতে ঢাকার বোলারদের ওপর চড়াও হন ইসাখিল। শেষ পর্যন্ত ১৮তম ওভারের শেষ বলে আউট হওয়ার আগে নবী করেন ১৩ বলে ১৭ রান। পরের ওভারেই আউট হন ইসাখিল। ব্যক্তিগত ৯২ রানের ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ৫টি ছক্কার মার। এটিই তাঁর ৩১ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ সংগ্রহ।
নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮৪ রান তোলে নোয়াখালী। ঢাকা ক্যাপিটালসের পক্ষে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও তাইজুল ইসলাম।
বিপিএলের সৌজন্যে প্রথমবার একই দলের হয়ে টি-টোয়েন্টি খেলার স্বপ্ন পূরণ হওয়া নবী-ইসাখিল জুটি এখন প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের থামাতে কেমন চমক দেখান, সেটিই দেখার অপেক্ষা।
শান্ত-ওয়াসিম ঝড়ে ম্লান হৃদয়ের লড়াই, জয়ে উৎসব রাজশাহীর
প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৮ রান সংগ্রহ করে রংপুর রাইডার্স। জবাবে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৯ ওভার ১ বলে ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রাজশাহী।





