ঋতু পরিবর্তনের সময় চুল পড়া কমাতে

hair-loss

আর্দ্রতা চুলকে করে তৈলাক্ত ও চিটচিটে। ফলে দেখা দেয় চুল পড়ার সমস্যা।

রূপচর্চা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে ঋতু পরিবর্তনের সময় চুল পড়ার সমস্যা থেকে বাঁচার উপায় সম্পর্কে জানানো হল।

চুল সুরক্ষিত রাখা: অতিরিক্ত সূর্যালোক, দূষণ, বৃষ্টির পানি এবং সুরক্ষা ছাড়া ধুলাবালি চুলকে শুষ্ক, ভঙ্গুর ও রুক্ষ করে তোলে। তাই এই ধরনের দূষণ থেকে চুল সুরক্ষিত রাখতে হবে। পাশাপাশি যেদিন চুলে বৃষ্টির পানি বা ধুলাবালি লাগবে সেদিন শ্যাম্পু করে চুল পরিষ্কার করতে হবে।

কন্ডিশনার ব্যবহার বাদ দেওয়া যাবে না: শ্যাম্পু করার পরে চুল আর্দ্র ও মসৃণ রাখতে অবশ্যই কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। কন্ডিশনার ধুয়ে ফেলতে ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করুন। এটা রোমকূপ সংকুচিত করতে ও মাথার ত্বক দীর্ঘক্ষণ পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে।

নিয়মিত চুল ছাঁটা: নিয়মিত কাটা-ছাঁটা করলে চুল কেবল সুন্দর আকারে রাখতেই সহায়তা করে না, পাশাপাশি বিরক্তিকর আগাফাটা ও চুলের গোঁড়ার রুক্ষতা দূর করতেও সহায়তা করে। এটা চুলের বৃদ্ধিতেও সহায়ক ভূমিকা রাখে।

কোঁকড়াভাব নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত আর্দ্রতা চুলকে রুক্ষ ও কোঁকড়া করে ফেলে। ফলে বৃদ্ধি পায় চুল পড়ার সমস্যা। এই সমস্যা থেকে বাঁচার সহজ উপায় হল চুল তোয়ালের সাহায্যে মুছে নেওয়ার পরে সিরাম ব্যবহার করা।

চুল বাঁধার ধরনে পরিবর্তন: চুল খুব বেশি শক্ত করে বাঁধা ঠিক নয়। এতে চুল কোঁকড়া ও রুক্ষ হয়ে যায়। বাইরের দূষিত পরিবেশে যাওয়ার সময় চুল টুপি বা ওড়না দিয়ে বেঁধে রাখা উচিত।

সাবধানে জট ছাড়ানো: চুল ভেজা অবস্থায় মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে চুলের জট ছাড়ানোর চেষ্টা করুন। চুল ফাটা এড়াতে চুলের গোড়া থেকে আঁচড়াতে হবে।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস: চুলের বৃদ্ধিতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস জরুরি। পর্যাপ্ত পুষ্টি-উপাদন, প্রোটিন, চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ চুলকে শক্তিশালী ও সুন্দর করতে সহায়তা করে। আর চুল পড়া কমায়। খাবারে ভিটামিন এ, বি, সি, ম্যাগনেসিয়াম, লৌহ, জিংক ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যোগ করে চুলকে সুস্থ ও সুন্দর রাখা যায়।

Pin It