তর্জন আফগানিস্তানের, বর্ষণ অস্ট্রেলিয়ার

AUS-samakal-5cf2c4ee35bb1

কথায় আছে-প্রতিভা ছাই চাপা দিয়ে রাখা যায় না। তেমনি  অভিজ্ঞতা সিরিশ কাগজের ঘষায় খসে না। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার থেকে হয়তো এক বছর খসে গেছে ডেভিড ওয়ার্নারের। কিন্তু ব্যাটে একটুও মরিচা ধরেনি তার। আফগানিস্তানের বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই ওয়ার্নার তা বুঝিয়ে দিলেন। তার ব্যাটে ৭ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের আগে আফগানিস্তান অনেক ভয়-ডর দেখিয়েছে। অবাক করে টস জিতে ব্যাটিংও নেয় তারা। অজিদের বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্পিন দিয়ে কাত করবেন এই ছিল তাদের পরিকল্পনা। কিন্তু চিন্তা মতো কাজ করতে পারেনি তারা। বরং শুরুতে ব্যাট করতে নেমে মিচেল স্টার্ক এবং প্যাট কামিন্সের তোপে ৫ রানে হারায় দুই উইকেট। দুই ওপেনার ব্যক্তিগত শূন্য রানে নেন বিদায়।

মিডল অর্ডারে রহমত শাহ এবং হাসমতউল্লাহ শাহেদি জুটি গড়ে ৫১ রান করেন। কিন্তু তারা দু’জন অ্যাডাম জাম্পার লেগ স্পিনের ঘূর্ণিতে পড়েন। ফিরে যান যথাক্রমে ৪৩ ও ১৮ রান করে। এরপর ফিরে যান নবীও। তিনি ৭ রান করে রান আউটে কাটা পড়েন।

এর আগের দুই ম্যাচে এশিয়ার দুই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান ও শ্রীলংকা একশ’ পেরোতেই অলআউট হয়। ব্রিস্টলে আফগানিস্তানও সেই পথে পা বাড়ায়। কিন্তু মিডল অর্ডারে দৌলত জাদরান এবং অধিনায়ক গুলবাদিন নাঈব হাল ধরেন। তারা গড়েন ৮৩ রানের জুটি। জাদরান ৫১ এবং নাঈব করেন ৩১ রান। এছাড়া রশিদ খানের ব্যাট থেকে ১১ বলে ২৭ রান আসে। দুইশ’ ছাড়ানো সংগ্রহ পায় তারা।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অজিদের বেগ পেতে হয়নি। অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ ৪৯ বলে ৬৬ রানের দুর্দান্ত এক ইনিংস খেলে ফেরেন। ছয়টি চার ও চারটি ছক্কা মারেন তিনি। ওয়ার্নারে সঙ্গে গড়েন ৯৬ রানের জুটি। জয়ের ভিত্তি পেয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। তবে উসমান খাজা এবং স্টিভ স্মিথ সেট হয়ে ১৫ ও ১৮ রানে আউট হন। বল টেম্পারিং কান্ডে নিষিদ্ধ থাকা ওয়ার্নার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পা রেখেই ৮৯ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে ফেরেন।

অস্ট্রেলিয়ার পেসার প্যাট কামিন্স এ ম্যাচে নেন তিন উইকেট। অ্যডাম জাম্পা দখল করেন তিন উইকেট। এছাড়া মার্কোস স্টইনিস দুটি এবং মিচেল স্টার্ক এক উইকেট দখন করেন। আফগানিস্তানের হয়ে রশিদ খান, গুলবাদিন নাঈব এবং মুজিব উর একটি করে উইকেট নেন।

Pin It