দুধের মান পরীক্ষা: বিপন্ন বোধ করছেন অধ্যাপক ফারুক

6e2aef1d7a6ad3d9897e392bb265a1dd-5d29bceb787dd

দ্বিতীয় দফার নমুনা পরীক্ষাতেও বাজারের দুধে অ্যান্টিবায়োটিক পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের সাবেক পরিচালক ও ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক ও তাঁর সহগবেষকেরা। দুধের মান নিয়ে অনড় অবস্থানে আছেন তিনি । তবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিপন্ন বোধ করছেন এই অধ্যাপক।

আজ শনিবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ বাস ভবনে অধ্যাপক ফারুক তার বিষণ্নতার কথা প্রথম আলোকে বলে। তিনি বলেন, ‘দুধের মান বিষয়ক জরিপের ফল নিয়ে কিছু সরকারি কর্মকর্তা ও কোম্পানি মালিক যে ভাষা আমার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছেন তাতে আমি বিপন্ন।’

এদিকে ৫টি কোম্পানির ১০টি পাস্তুরিত দুধের নমুনা তিনি ও তাঁর সহকর্মীরা দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষা করেছেন। তাতে ১০টি নমুনার ১০টিতেই শরীরের জন্য ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে বলে অধ্যাপক ফারুক জানিয়েছেন। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অধ্যাপক ফারুক বলেছেন, ফলাফল আগের মতোই উদ্বেগজনক। তিনি আরও বলেছেন, ‘আমরা ভবিষ্যতেও এই পরীক্ষাসহ অন্যান্য পরীক্ষাগুলোর ফলাফল জনস্বার্থে প্রকাশ করার চেষ্টা করব।’

গত ২৫ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি লেকচার থিয়েটারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ফারুক কিছু খাদ্যের গুণগত মান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করেন। খাদ্যের মধ্যে ছিল ঘি, পানীয়, গুঁড়া মসলা, হলুদ, পাম ওয়েল, সরিষার তেল, সয়াবিন তেল ও পাস্তুরিত দুধ। কোন কোন কোম্পানির খাদ্যের নমুনা তাঁরা পরীক্ষা করেছিলেন সেগুলোর নাম তিনি সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেছিলেন।

ওই পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বিশেষ করে দুধের মান পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বিভিন্ন জন প্রশ্ন তোলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান বিবৃতি দিয়ে বলেন, অধ্যাপক আ ব ম ফারুকের গবেষণা ফলাফলের দায়দায়িত্ব তাদের না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে অধ্যাপক ফারুকের বিরুদ্ধে কটু মন্তব্য করেছেন।

তবে সাামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আ ব ম ফারুকের পক্ষে কথা বলেছেন এমন লোকের সংখ্যাও কম নয়।

Pin It