যে আমাকে হারিয়েছে, আফসোস তার: কৃতি

8a6bb9f6085123a3a4afeae91ebf5bf9-5d6bc154e6ff7

বলিউড তারকা কৃতি শ্যানন নিজেই একটা গল্পের নাম। যে গল্পে অন্যদের তুলনায় খুব সহজেই ধরা দিয়েছে সফলতা। এই ‘দিল্লি গার্ল’ একদিন হঠাৎ ইঞ্জিনিয়ারিং ছেড়ে হাঁটা শুরু করেছিলেন বলিউডের রাস্তায়। তাঁর প্রথম ছবি ‘হিরোপান্তি’ তাঁকে এনে দিয়েছিল ফিল্মফেয়ারের সেরা নবাগতর পুরস্কার। ‘দিলওয়ালে’, ‘বারেলি কি বরফি’ ও ‘লুকাছুপি’ দিয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বলিউডে। চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজকদের পছন্দের তালিকার প্রথম দিকে উঠে এসেছে কৃতি শ্যাননের নাম। তাঁকে দেখা যাবে আশুতোষ গোয়ারিকরের ‘পানিপথ’ এবং সাজিদ নাদিয়াদ ওয়ালার ‘হাউসফুল ফোর’ ছবিতে। তা ছাড়া নারীকেন্দ্রিক একটা ছবিতেও দেখা যাবে তাঁকে। ফিল্মফেয়ারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কথা বললেন তাঁর চলচ্চিত্র, প্রেম, বিচ্ছেদ, ব্যক্তিগত জীবন এবং বলিউডে তাঁর নিজের অবস্থান বিষয়ে।

বলিউডে আপনার পাঁচ বছর পূর্ণ হলো। পেছনে ফিরে তাকালে কী দেখতে পান? 
এখনো মনে হয়, আমি একটা শিশু। আর মাত্র আমার শুরু হলো। বিশ্বাসই হয় না যে পাঁচ বছর পার করে ফেলেছি। কিন্তু হ্যাঁ, এই সময়ের মাঝেই আমার কাছে যে ধরনের সুযোগ এসেছে, যে মাপের মানুষদের সঙ্গে আমি কাজ করতে পেরেছি, এগুলো আমাকে এক ধরনের পূর্ণতা দেয়। যে জগৎ একসময় আমার সুখ-কল্পনার অংশ ছিল, আমি আজ সেই জগতের অংশ। আমি নতুন নতুন সব চ্যালেঞ্জ নিতে চাই। আমার ক্যারিয়ারের গ্রাফকে উঁচুতে, আরও উঁচুতে তুলতে চাই। পারফর্ম করার জন্য আমি পাগল হয়ে থাকি।কৃতি শ্যানন

শোনা যাচ্ছে, আপনার পরবর্তী ছবির বিষয় নাকি ‘সরোগেসি’? 
হ্যাঁ। আর ‘লুকাছুপি’র মতো এই ছবির পরিচালকও লক্ষণ উতেকার। তবে এখনো ছবির নাম ঠিক হয়নি। আসলে এই গল্পটা প্রথমে কেবল একটা ধারণা আকারে ছিল। পরে তা নিয়ে পূর্ণাঙ্গ স্ক্রিপ্ট হলো। আর সেই স্ক্রিপ্ট পড়ে আমি মুগ্ধ। আসলে লক্ষণ উতেকারের একটা অসম্ভব ভালো গুণ হলো, তিনি যেকোনো মানবিক বিষয় খুব মনোরমভাবে উপস্থাপন করতে পারেন। এটাই আমার প্রথম ছবি, যেখানে কেবল আমার ওপর ভর করে গল্প এগোবে। আমিই মূল অভিনয়শিল্পী।

এখনই মায়ের চরিত্র করবেন। আপনি তৈরি তো? 
হ্যাঁ, এটা সত্যি যে মাতৃত্বের অনুভূতি কেমন, আমি জানি না। এটাও সত্যি, অভিনয়শিল্পী হিসেবে আমাকে সব ধরনের চরিত্র হয়ে উঠতে হবে। তবে বড় পর্দার এই মা তরুণ। আমি এমন কিছু করতে যাচ্ছি, যা আগে কেউ কখনো করেনি। একটু ভয় ভয় লাগছে। তবে চরিত্রটা হয়ে ওঠার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না। চলতি বছর শেষ দিকে শুটিং শুরু হবে।

আপনি উত্তর ভারতের মেয়ে, ‘পানিপথ’ ছবিতে মারাঠা নারীর চরিত্র নিশ্চয়ই চ্যালেঞ্জিং? 
আশু স্যার (আশুতোষ গোয়ারিকর) একজন জাদুকরের নাম। তাঁর সেটে কখনো বোঝা যায় না যে আমি একটা ভিন্ন পৃথিবী থেকে এসেছি। টেরই পাওয়া যায় না যে চরিত্রটা করছি, তা আমি নই। আমি কখনোই তাঁকে রাগতে বা উঁচু গলায় কথা বলতে দেখিনি। তিনি একজন পারফেকশনিস্ট এবং সব ডিটেইলসের ওপর নজর রাখেন। তিনি সবার কথা মন দিয়ে শোনেন। সবার কাছ থেকে পরামর্শ নেন। এখানে আমার চরিত্রের নাম পার্বতী বাই, মারাঠার সেনাপ্রধান সদাশিবরাও বহুর দ্বিতীয় স্ত্রী। আশু স্যারের সেটের নারীরা বরাবরই স্বাধীন, সাহসী আর শক্তিশালী।

এই ঐতিহাসিক যুদ্ধের ছবিতে পার্বতী বাইয়ের চরিত্রটি কতটা তাৎপর্যপূর্ণ? 
যুদ্ধ তো ক্লাইমেক্সে। এই ছবি সমস্তটা নিয়ে, যুদ্ধে গিয়ে যার সমাপ্তি ঘটে। তা ছাড়া, ছবির বড় অংশজুড়ে রয়েছে রোমান্স। আর আমিও খুবই রোমান্টিক। ‘ভালোবাসা’ পৃথিবীর সবচেয়ে সেরা অনুভূতি। আমি একটু ফিল্মি টাইপের। এখানে কিন্তু আমি অস্ত্রও চালিয়েছি। প্রথমবারের মতো এই দৃশ্যে অভিনয় করতে গিয়ে মনে হয়েছে, অ্যাকশন ভালোবাসি আমি। প্রমাণ দিই? ঘরে এসে দেখলাম, আমার এখানে কেটে গেছে, ওখানে ছিলে গেছে। রক্ত ঝরছে। কিন্তু যতক্ষণ সেটে ছিলাম, টের পাইনি।

অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘হাউসফুল ফোর’ করার অভিজ্ঞতা কেমন? 
চমৎকার। অক্ষয় স্যারের সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো, তিনি একেবারে নিরহংকার একজন মানুষ। আর মোটেও সিনিয়রসুলভ আচরণ করেন না। তিনি ক্লান্তিহীন শিশুর মতো, যিনি অসীম এনার্জি নিয়ে বিরতিহীন কাজ করে যেতে পারেন। তাঁকে যদি খাওয়ার জন্য একটা কমলা দেওয়া হয়, তিনি সেটা নিয়ে ‘ক্যাচ ক্যাচ’ খেলা শুরু করে দেন। তাঁকে সারা দিনের পরিকল্পনা লেখা কাগজ দেওয়া হলো, তিনি তার ওপর দিব্যি কাটাগোল্লা খেলবেন। সময়ের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করেন তিনি। এত ব্যবসাসফল ছবি উপহার দেওয়ার পরও প্রতিটি সিনে তিনি নতুন কিছু যোগ করার চেষ্টা করেন। তাঁর ‘সেন্স অব হিউমার’ অসাধারণ। ‘হাউসফুল ফোর’ ছবির শুটিংয়ের দিনগুলো এমন ছিল, যেন ছুটির দিনে বেড়াতে এসেছি।

সাজিদ খানকে তো ‘হ্যাশট্যাগ মি টু’র অভিযোগে পরিচালকের পদ থেকে সরিয়ে নেওয়া হলো। টিম স্পিরিটে তার প্রভাব পড়েছে? 
ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। একই সঙ্গে সবার জন্য বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো। কিন্তু সবাই যে ভালো কিছু ঘটানোর জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ছে, এর কৃতিত্ব প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার। প্রতিদিন সকালে আমরা দারুণ কিছু করব বলেই ঘুম থেকে উঠতাম। এ রকম একটা ঘটনায় আমরা যাতে দুই দিনের বেশি শুটিং বন্ধ না রাখি, তা নিশ্চিত করেছেন। তাঁর একটা বড় অঙ্কের অর্থ লোকসান হয়েছে। এত বড় আর দামি সেট—দুই দিন পড়ে ছিল। এরপর ‘হাউসফুল ফোর’ ছবির লেখক ও ‘হাউসফুল থ্রি’র পরিচালক ফরহাদ সামজি পরিচালনার হাল ধরেন।

কৃতি শ্যানন

ইন্ডাস্ট্রিতে এখন ভূরি ভূরি তারকার সন্তান। বাইরে থেকে এসে তাঁদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে টিকা থাকা কতটা কঠিন? 
প্রত্যেকের পথচলা তাঁর নিজের। আমি যদি তারকার সন্তান হতাম, তাহলে হয় মানুষ আমাকে বলিউডে পা রাখার আগেই চিনত। ছবি করার আগেই ‘কফি উইথ করণ’ অনুষ্ঠানে যেতে পারতাম। খুব সহজে প্রথম ছবি পেতাম। প্রথম ছবি মুক্তি পাওয়ার আগেই দ্বিতীয় ছবি পেতাম। কিন্তু ওই পর্যন্তই। বাকি পথ নিজের যোগ্যতায় টিকে থাকতে হয় অথবা হারিয়ে যেতে হয়। এখানে প্রতিযোগিতা আকাশচুম্বী। তাই সততা, মেধা, পরিশ্রম ছাড়া টিকে থাকা যাবে না। আমি নিজেকে নিয়ে গর্বিত। কারণ কিছু মানুষ আমাকে বিশ্বাস করেছিল। আর আমি সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতে পেরেছি।

কীভাবে সব বদলে গেল? 
প্রতিটা শুক্রবার সবকিছু বদলে ফেলেছে। নতুন নতুন শুক্রবার এসেছে আর মানুষ আমাকে আরও বেশি ভরসা করেছে। তাঁদের দৃষ্টিতে আমার প্রতি বিশ্বাস আরও গাঢ় হয়েছে। কিন্তু আমি জানি, যেদিন একটা শুক্রবার আমার ছবি আয় করবে না, আমার বিশ্বাস ময়লার ঝুড়িতে ফেলে অন্য নায়িকা খুঁজবেন। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে এমন বন্ধুও আছেন, যাঁরা সেই দুঃসময়েও আমার হাতটা শক্ত করে ধরে রাখবেন। নতুন করে বিশ্বাস জোগাবেন।

কারা তাঁরা? 
আছে কিছু মানুষ। আর যেকোনো পরিস্থিতিতে আমাদের সম্পর্ক অপরিবর্তনীয় থাকে। সাজিদ (নাদিয়াদওয়ালা) স্যারের কাছ থেকে আমি পরামর্শ নিই। তিনি আমাকে সন্তানের মতো স্নেহ করেন। সাব্বির (খান) স্যারের সঙ্গেও আমার খুব ভালো বোঝাপড়া। দীনেশ বিজন আমার বড় ভাইয়ের মতো। তিনি সব সময় আমার পাশে আছেন। তিনি আমার শক্তি আর দুর্বলতার দিক সম্পর্কে অবগত। তিনি আমাকে অনুপ্রাণিত করেন। বরুণ ধাওয়ান, বরুণ শর্মা আর আমি—এই তিনজন একসঙ্গে হলে আর কোনো কিছুর প্রয়োজন পড়ে না। বরুণ ধাওয়ান বন্ধু হিসেবে দুর্দান্ত।

পাঁচ বছরে আপনি কতটা বদলেছেন? 

আমি আমিই আছি। তবে পরিণত হয়েছি। আগে সবকিছুকে সাদা অথবা কালো—এই দুই দলে ভাগ করতাম। এখন আমি ধূসর রং চিনি।

ভগ্ন হৃদয়কে কীভাবে সামাল দিলেন? 
আমাকে নানা ভালো এবং খারাপ অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে। ভালো অভিজ্ঞতাকে আমি স্মৃতি বানিয়ে রাখি। আর খারাপ অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিই। আমি নিজেকে যতটা শক্ত ভেবেছি, পরিস্থিতি আমাকে তার চেয়েও বেশি শক্ত বানিয়েছে। সময়ের সঙ্গে শোক মিলিয়ে যায়। ভালো না থাকাটা কিন্তু খারাপ না। মাঝে মাঝে খারাপ থাকাও ভালো। মাঝে মাঝে ঘুম থেকে উঠে কিছুই ভালো লাগে না। সারা দিন কিছুতেই মন বসে না। আমি মনে করি, জীবনে এ রকম দিনের প্রয়োজন আছে। আমি কখনো মানুষকে জাজ করি না। আফসোস করে সময় নষ্ট করার মানুষ নই আমি। যে আমাকে হারিয়েছে, আফসোস তাঁর।

প্রেমের ব্যর্থতা, নাকি ক্যারিয়ারের ব্যর্থতা—কোনটা বেশি পোড়ায়? 
হৃদয় ভাঙার কষ্টের চেয়ে খারাপ দিন আর নেই। যে এই ব্যাপারটার সঙ্গে যুদ্ধ করে কাটিয়ে উঠতে পারে, তার জন্য আর সবকিছুই সহজ। তবে ক্যারিয়ারের ব্যর্থতাও ভোগায়। আমরা ভান ধরি যে সব ঠিকই আছে। আসলে থাকে না। বিশাল ব্যর্থতা নিয়ে আমরা পাপারাজ্জিদের সামনে হেসে পোজ দিই, এইটা মিথ্যে জীবন।

‘রাবতা’র ব্যর্থতার পর আপনি নিশ্চয়ই ভেঙে পড়েছিলেন? 
আমি পানিতে ডুবে থাকতে ভয় পেতাম। কিন্তু সেটা কাটিয়ে উঠেছি। আমি ঘোড়ায় চড়া শিখেছি। স্কু বা ডাইভিং শিখেছি। আমি এই ছবির জন্য সম্ভাব্য যা কিছু প্রয়োজন ছিল, তার সবই করেছি। কিন্তু যখন ছবিটা ফ্লপ করল, সব বৃথা মনে হলো। আমি শুরু থেকে বিশ্লেষণ করতে বসলাম, কেন এমন হলো? কিন্তু কিছুই পেলাম না। তারপর আবার একটা শুক্রবার আসে। যখন ‘বারেলি কি বরফি’ মুক্তি পেল। আর আবার সব বদলে গেল। আসলে সফলতা বা ব্যর্থতাকে সিরিয়াসলি নেওয়ার কিছু নেই। শুধু মন দিয়ে নিজের কাজটা করে যেতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ট্রলকে কীভাবে নেন? 
আমি গঠনমূলক সমালোচনা খুবই ভালোভাবে নিই। কিন্তু আজেবাজে আর্টিকেল, গুজবকে পাত্তা দিই না। তবে আজকাল একটা বিষয় ভেবে আতঙ্কিত হই। তা হলো, মানুষ এখন অন্য একজন মানুষকে নিয়ে ট্রল করার জন্য মুখিয়ে থাকে। যেন এটিই তাঁদের একমাত্র বিনোদন। এই অবস্থাটা ভীতিজনক। আমি এ রকম কাউকে দেখলেই ব্লক করে দিই।

আপনি কি আবার প্রেমে পড়তে চান? 
আমি প্রেমে পড়তে খুবই ভালোবাসি। কিন্তু ভালোবাসার জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছি না। আমি ব্যস্ত এবং সুখী। এই মুহূর্তে আমার সব মনোযোগ ক্যারিয়ারে। হ্যাঁ, আমি প্রেমেও পড়তে চাই। তবে এবার ঠিক মানুষটার সঙ্গে।

অভিনয়শিল্পীকে বিয়ে করবেন? 
আমাদের তো ইন্ডাস্ট্রির বাইরে মানুষের সঙ্গে মেলামেশার সুযোগ কম। তবে যে-ই হোক না কেন, তাঁকে যেন বিশ্বাস করা যায়, নির্ভার থাকা যায়। সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমি খুবই বিশ্বস্ত। আমাদের ইন্ডাস্ট্রি খুব দ্রুত দৌড়ায়। সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা কঠিন। তবে আমি বিয়েতে বিশ্বাসী। সঠিক মানুষকে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করে বিয়ে করতে চাই।

কৃতি মানুষ হিসেবে কেমন? 
আমি খুবই সাধারণ মেয়ে। মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা। যদিও প্রতিদিন অন্য কেউ সাজি, অভিনয় করি। তবে মানুষ হিসেবে খুবই বিশুদ্ধ। আমি বন্ধু হিসেবে দারুণ। যখন আমার জীবনের অবস্থা যাচ্ছেতাই, তখনো আমি অন্য মানুষের সমস্যার কথা মন দিয়ে শুনি। তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে যাই। ভালোবাসায় অন্ধ হয়ে যাই। তখন ওই মানুষটার ভালো-মন্দ বিচার করতে পারি না। আমি কম কথা বলা পার্টির চেয়ে ঘরে বন্ধুদের সঙ্গেই আড্ডা দিতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। ইদানীং আমি ‘ভ্রমণকন্যা’ হয়েছি। বেড়াতে আমার খুবই ভালো লাগে।

এক শব্দে আপনার বলিউডের যাত্রাকে বর্ণনা করুন। 
স্বপ্নের মতো।

Pin It