রাষ্ট্রবিরোধী ‘কনটেন্ট’ প্রচার নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ জানতে চায় সংসদীয় কমিটি

image-640492-1675183077

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসামাজিক, কুরুচিপূর্ণ বা রাষ্ট্রবিরোধী ‘কনটেন্ট’ (অডিও, ভিডিও, লেখা ও ছবি) প্রচার নিয়ন্ত্রণে নেওয়া পদক্ষেপগুলো জানাতে চেয়েছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। এ বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি ও কপিরাইট অফিসকে তাগিদপত্র দিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার সংসদ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানতে চাওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি সিমিন হোসেন রিমি। বৈঠকে কমিটির সদস্য সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, কাজী কেরামত আলী, অসীম কুমার উকিল ও সুবর্ণা মুস্তফা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশেষ করে লাইকি অ্যাপে কুরুচিপূর্ণ প্রচার নিয়ে আলোচনা হয়। এটি নিয়ন্ত্রণ করা নিয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দেওয়া জবাব সংসদীয় কমিটির মনোপূত ছিল না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর পক্ষ থেকে নজরদারি জোরদার ও আইনি ক্ষমতা প্রয়োগ এবং পরবর্তী বৈঠকে তথ্য মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি এবং কপিরাইট অফিসের যৌক্তিক মতামত উপস্থাপন করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

বৈঠকে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসামাজিক, কুরুচিপূর্ণ বা রাষ্ট্রবিরোধী ‘কনটেন্ট’ প্রচার নিয়ন্ত্রণে নেওয়া পদক্ষেপগুলো জানাতে তথ্য মন্ত্রণালয়, বিটিআরসি এবং কপিরাইট অফিসকে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর চিঠি দেওয়া হয়েছে। এখনো তার জবাব পাওয়া যায়নি। পরে কমিটি এ বিষয়ে তাগাদা দিয়ে আবারো চিঠি দেওয়ার সুপারিশ করে।

দেশে অবৈধ ইটভাটা সাড়ে চার হাজার : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেছেন, সারা দেশে (জুন ২০২২) মোট ইটভাটার সংখ্যা সাত হাজার ৮৮১টি। এর মধ্যে তিন হাজার ২৪৮টি বৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া চার হাজার ৬৩৩টি ইটভাটা পরিবেশগত ছাড়পত্রবিহীন অবৈধভাবে পরিচালিত। ইটভাটাগুলোর মধ্যে বৈধ ৪১ দশমিক ২ শতাংশ এবং অবৈধ ৫৮.৮ শতাংশ। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে মামুনুর রহমান কিরণের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ইটভাটায় অভিযান : পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ২০১৯ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত এক হাজার ৭৭২টি অভিযান পরিচালনা করে তিন হাজার ৩৭টি ইটভাটার থেকে ৭৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। ৯০৭টি ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ৮০ ব্যক্তিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বর্জ্য : এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন বলেন, বাংলাদেশের শহরগুলোতে দৈনিক প্রায় ৩০ হাজার কঠিন বর্জ্য উৎপন্ন হয়। আগামী ২০২৫ সালে দৈনিক বর্জ্য ৪৭ হাজারে উন্নীত হবে। কঠিন বর্জ্যরে প্রায় ১০ শতাংশ (বর্তমানে তিন হাজার টন) প্লাস্টিকজাত।

কৃষিজমি : শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক বলেন, কৃষি নমুনা শুমারি (শস্য) ২০২০ অনুসারে বর্তমানে দেশে মোট কৃষিজমির পরিমাণ ২ কোটি ১৭ লাখ ৫৬ হাজার ৫৮৭ হেক্টর। এর মধ্যে চাষযোগ্য ১ কোটি ৯৪ লাখ ৭৬ হাজার ৪২ একর। দিন দিন কৃষিজমির পরিমাণ শূন্য দশমিক শূন্য (০.০২%) শতাংশ হারে কমছে।

Pin It