কলকাতায় নিজের কাজের মূল্যায়ন নিয়ে যা বললেন নুসরাত ফারিয়া

image-640143-1675085768

জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই কলকাতার সিনেমা নিয়ে আলোচনায় আছেন। ব্যস্ত আছেন নতুন কয়েকটি সিনেমার শুটিং নিয়ে। এরই মধ্যে সম্প্রতি তার অভিনীত ‘ভয়’ নামে কলকাতার একটি সিনেমা ওটিটিতে মুক্তি পেয়েছে। এ সিনেমা, বর্তমান ব্যস্ততা ও সমসাময়িক প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

* প্রথমবার ওটিটিতে আপনার অভিনীত সিনেমা মুক্তি পেল। কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

** এ সিনেমাটির শুটিং কয়েক বছর আগে করেছি। সিনেমাহলে মুক্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এটি করা হয়েছিল। পোস্ট প্রডাকশনের কাজও সে অনুযায়ী হয়। শেষতক সিনেমার পরিচালক ও প্রযোজকের সিদ্ধান্তক্রমে ওটিটিতেই মুক্তি পেল। মুক্তির পর বেশ ভালোই সাড়া পাচ্ছি।

* এ সিনেমায় স্কুল শিক্ষিকার চরিত্রে অভিনয় করলেন। শুটিং অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?

** অভিজ্ঞতা ভালো। শুটিংয়ের সময় কিছুটা পরিশ্রম করতে হয়েছে। আসলে এ সিনেমায় আমি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছেলেমেয়েদের শিক্ষিকা হিসাবে কাজ করি। প্রশিক্ষকও বলা চলে। সিনেমার নায়ক অঙ্কুশ একজন সাঁতারু শিক্ষক। তার বোন যে স্কুলে পড়ে সে স্কুলেই শিক্ষকতা করি আমি। তবে বাকি বিষয়গুলো দর্শক ‘ভয়’ সিনেমাটি দেখলে বুঝতে পারবেন। আশা করি সবার পছন্দ হবে।

* কলকাতায় আপনার সিনেমা মুক্তি পেল, কিন্তু আপনি ঢাকায়। কারণ কী?

** আসলে সিনেমাটি তো ওটিটিতে মুক্তি পেয়েছে, তাই প্রচারণার বিষয়টি এখন অনলাইনে সামলানো যাচ্ছে। তা ছাড়া এ মুহূর্তে আমার শিডিউলও ফাঁকা নেই। তবে ৫ ফেব্রুয়ারি কলকাতা যাব। তখন অন্য কাজের ফাঁকে ‘ভয়’ সিনেমার প্রচারণাও করব।

* কলকাতায় কি কাজে যাচ্ছেন?

** ‘বিবাহ অভিযান’ সিনেমার দ্বিতীয় কিস্তির কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। এটির মিটিং আছে। একটি শোও আছে সেখানে, এতে অংশগ্রহণ করব। নতুন কিছু কাজের বিষয়েও কথা হচ্ছে। সেগুলো নিয়ে বসতে হবে। সব মিলিয়ে একাধিক কাজে কলকাতায় যাচ্ছি। ফিরব ৮ ফেব্রুয়ারি।

* নতুন সিনেমার খবর কী?

** কলকাতা থেকে ঢাকায় ফিরে ‘ফুটবল ৭১’ নামে একটি সিনেমার শুটিং শুরু করার কথা রয়েছে। এ সিনেমাটি পরিচালনা করবেন অনম বিশ্বাস। ১৮ ফেব্রুয়ারি যাব ব্যাংককে। সেখানে আবার ‘বিবাহ অভিযান’ সিনেমার গানের শুটিং করব। একইসঙ্গে আমার নিজের নতুন গানের ভিডিওর শুটিংও করব।

* বাংলাদেশ ও ভারতে কাজ করছেন। দুই দেশে আপনার মূল্যায়নের বিষয়টি চোখে পড়ে কি?

** আসলে এমন প্রশ্ন অনেকেই করেন। বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় গিয়ে কাজ করছি, কোনো বৈষম্যের শিকার হয়েছি কী না, দু’দেশের মূল্যায়ন কেমন ইত্যাদি। আমি আসলে আমার কাজের দিকে ফোকাস দেই। কাজ করতে গিয়ে অন্য কিছু নিয়ে ভাবার সময় পাই না। এটা ঠিক কলকাতার মানুষ আমাকে অনেক ভালোবাসেন। তা না হলে তো কাজ করতে পারতাম না।

Pin It