বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর (এক্সট্রাডিশন) বিষয়ে ঢাকার পক্ষ থেকে পাঠানো আনুষ্ঠানিক অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত। বিষয়টি নিয়ে আইনি ও কূটনৈতিক-উভয় দিক থেকেই সতর্ক অবস্থান নিয়েছে নয়াদিল্লি।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (এমইএ) জানায়, অনুরোধটি বর্তমানে বিচারিক ও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, আমরা বিষয়টি আমাদের আইনি কাঠামোর মধ্যে থেকে খতিয়ে দেখছি।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে ভারতকে একদিকে যেমন নিজেদের আইন মেনে চলতে হচ্ছে, অন্যদিকে বাংলাদেশে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভারসাম্যও বজায় রাখতে হচ্ছে।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের দাবি জোরদার হয়েছে।
বিশেষ করে নতুন সরকার ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে, যা ভবিষ্যতে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
সরকারি সূত্রের ইঙ্গিত, পুরো প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ হতে পারে।
কারণ এতে আইনি যাচাই, দ্বিপক্ষীয় আলোচনা এবং আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে চলা-সবকিছুর সমন্বয় প্রয়োজন।
সব মিলিয়ে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি ভারত। তবে ইস্যুটি ইতোমধ্যেই দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা যোগ করেছে।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। এখন পর্যন্ত তিনি সে দেশেই অবস্থান করছেন।





