পঞ্চগড় সদর থানায় একটি ও রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় করা দুটি হত্যা মামলায় জামিন পেয়েছেন সাবেক রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।
মঙ্গলবার (০৫ মে) তার জামিন প্রশ্নে রুল যথাযথ (অ্যাবসলিউট) ঘোষণা করে রায় দেন বিচারপতি কে এম জাহিদ সারোয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।
তিন মামলায় তাকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। সেই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ তার জামিন মঞ্জুর করেন উচ্চ আদালত।
আদালতে নুরুল ইসলাম সুজনের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না, এস এম আবুল হোসেন, মোতাহার হোসেন সাজু প্রমুখ শুনানিতে ছিলেন।
পরে আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু জানান, নুরুল ইসলাম সুজনের বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না থাকায় তার মুক্তিতে আর বাধা নেই।
তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সার্জিয়া শারমিন জানান, তারা জামিনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে যাবেন।
২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানী শ্যামলীর বাংলাদেশ বিশেষায়িত হাসপাতাল থেকে সুজনকে আটক করে পুলিশ।
পরদিন তাকে যাত্রাবাড়ী থানার এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন নিহত ইমরান হোসেনের মা কহিনুর আক্তার বাদী হয়ে ওই বছর ৯ সেপ্টেম্বর এই মামলা করেছিলেন। পরে তাকে যাত্রাবাড়ী থানার রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ২০২৪ সালে নিহত হন রফিকুল। ওই বছর ২৮ আগস্ট মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী নার্জিয়া আক্তার।
এ ছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পঞ্চগড়ে রিকশাচালক আল আমিন হত্যা মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয় নুরুল ইসলাম সুজনকে।
এই তিন মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে গত বছর হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন সাবেক রেলমন্ত্রী। পঞ্চগড়ের হত্যা মামলায় গত বছর ৩১ জানুয়ারি ও যাত্রাবাড়ী থানার দুই মামলায় গত বছর ১ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট তার জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেন।





