২০১০ সালের গুয়াংজু এশিয়ান গেমসে স্বর্ণ পদক জিতেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। এবারও এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে যাওয়ার আগে স্বর্ণ পদক জয়ের আশারবানী শুনিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল।
কিন্তু সোনা জয়ের স্বপ্নে দেশত্যাগ করা বাংলাদেশ আজ শ্রীলংকার বি টিমের কাছে হেরে ব্রোঞ্জ পদক জয়ের সুযোগও হাতছাড়া করল। সোনা জিততে গিয়ে রুপাতো দূরে থাক ব্রোঞ্জেও হাত রাখতে না পারার অজুহাত হিসেবে খাবারের দায় দিচ্ছেন অধিনায়ক লিটন কুমার দাস।
আজ শনিবার জাপানের নাগোয়ার নিশিন করোগি স্পোর্টস পার্কে প্রথমে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৬৫ রান করে শ্রীলংকা। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ১৭.৩ ওভারে ১০২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। ৬৩ রানের পরাজয়ে ব্রোঞ্জ জয়ের লক্ষ্য ভেস্তে গেল টাইগারদের।
খেলা শেষে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক লিটন বলেন, ‘ক্রিকেট খেলতে গেলে অনেক কিছুর প্রয়োজন হয়। আপনারা হয়তো সেটা জানবেন না, কারণ আপনারা কোনোদিন এভাবে ক্রিকেট খেলেননি। প্র্যাকটিসের প্রয়োজন হয়—সেখানে কী ধরনের সুযোগ-সুবিধা আছে? একজন খেলোয়াড় কি সারাদিন রুমের ভেতর বন্দি হয়ে থাকবে? খেলোয়াড়দের যখন ট্রেনে দেওয়া খাবার-দাবারে প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও চাহিদা পূরণ হচ্ছে না, তখন তারা কি বাইরের খাবার খাবে না? তাদের তো সেই এনার্জিটা প্রয়োজন।’
গেমসে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার আক্ষেপ নিয়ে লিটন আরও বলেন, ‘আপনার যদি মনে হয়, ফেডারেশন বা এশিয়ান গেমস থেকে যে খাবার দেওয়া হচ্ছে, সেটা আমাদের জন্য উপযোগী হচ্ছে না, তাহলে একজন খেলোয়াড় কি না খেয়ে থাকবে? অবশ্যই খাবার খাবে। আর খাবার খেতে হলে তো বাইরে যেতে হবে। খেলোয়াড়রা সেটাই করেছে। এখন যদি বলেন, ক্রিকেট খেলব, রোদের মধ্যে খেলব, কিন্তু সারাদিন এসি রুমে ঘুমাব—সেটা তো আপনারা অ্যাকসেপ্ট করবেন না। আমাদের যদি প্র্যাকটিস করার সুযোগ-সুবিধা থাকত, তাহলে তো আপনারা আমাদের মাঠেই দেখতে পারতেন, আমরা প্র্যাকটিস করছি। কিন্তু সেই অপশনটাই তো নেই।’
সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ২ রানে ফিরেছিলেন লিটন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অধিনায়ক ফেরেন শূন্য রানে। নিজের এমন বাজে পারফরম্যান্স নিয়ে লিটন বলেন, হ্যাঁ, আমার পারফরম্যান্স নট আপ টু দ্যা মার্ক। আমি দুইটা ম্যাচেই ভালো পারফরম্যান্স করতে পারি নাই।’





