নানা নাটকীয়তার পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও এনসিপির যুগ্ম-আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
সোমবার (৪ মে) সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দীন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, নুসরাত তাবাসসুমকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। আমরা কমিশনের কাছে নথি পাঠিয়েছিলাম।
তাকে নির্বাচিত ঘোষণার গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া চলছে।
এই জোটের আরেক প্রার্থী ও এনসিপির নেত্রী মনিরা শারমিন সরকারি ব্যাংক থেকে অবসরের তিন বছর অতিবাহিত না হওয়ায় তার মনোনয়নপত্রটি বাতিল হয়ে যেতে পারে, ২১ এপ্রিল (মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন) নানা মহলে এমন আলোচনার সূচনা হলে ওইদিন নির্ধারিত সময় বিকেল ৪টার ১৯ মিনিট পর জামায়াত জোট থেকে নুসরাত তাবাসসুমের মনোনয়নপত্রও দাখিল করা হয়।
তবে সময়ের পরে দাখিল করায় তা গ্রহণ করা বিরত থাকেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
এরপর ২৩ এপ্রিল বাছাইয়ে মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্রও বাতিল হয়ে যায়।
এদিকে হাইকোর্টে রিট করেন নুসরাত। শুনানি শেষে আদালত তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনায় দেন।
সে অনুযায়ী, রিটার্নিং কর্মকর্তা ২ মে বাছাই করে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন। রোববার (৩ মে) সে অনুযায়ী, বৈধ প্রার্থী হিসেবে নুসরাতের তালিকাও প্রকাশ করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। অন্যদিকে মনিরাও রিট করেন হাইকোর্টে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যার অনুপাতে নির্বাচন কমিশন বিএনপি জোটকে ৩৬টি, স্বতন্ত্র জোটকে একটি এবং জামায়াত জোটকে ১৩টি আসন বণ্টন করে দেয়। কিন্তু নুসরাত-মনিরার আসনটি ছাড়া বাকি ৪৯টিতে ৪৯ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ইতোমধ্যে তারা শপথ নিয়েছেন। এখন নুসরাতই হচ্ছেন সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০ নম্বর সংসদ সদস্য।





