চট্টগ্রামে এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ ঘোষণা

Screenshot 2026-08-01 064042

কারখানাগুলো বন্ধ হওয়ায় প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কর্মী চাকরি হারিয়েছেন।

চট্টগ্রামে শিল্প গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন ১১টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার অবশিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিক ছাঁটাইয়ের নোটিস দেওয়া হয় কারখানাগুলোতে, যা শনিবার থেকে কার্যকর হবে।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন এসব শিল্প কারখানার অবস্থান। কারখানাগুলো বন্ধ হওয়ায় প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কর্মী চাকরি হারিয়েছেন।

তবে এসব কারখানার নিরাপত্তা ও বৈদ্যুতিক বিভাগের কিছু কর্মী এখনো চাকরিতে আছেন।

এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের প্রকৌশলী হাসমত আলী বলেন, “বৃহস্পতিবার থেকে নোটিস দেওয়া শুরু হয়। শনিবার থেকে কার্যকর হবে। মোট ১১টি প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে।”

এস আলম গ্রুপের যেসব কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলো হল- এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস আলম সিমেন্ট, এস আলম অয়েল, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল, এস আলম ব্যাগ ফ্যাক্টরি, চেমন ইস্পাত লিমিটেড, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড, এস আলম স্টিল, এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড, এস আলম পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড ও পশু খাদ্যের একটি কারখানা।

তবে বাঁশখালীতে এস আলমের মালিকানাধীন এস এস পাওয়ার প্ল্যান্ট নামের কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চালু থাকবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কারখানাগুলোতে ছাঁটাই এর নোটিস দেওয়া হয়। এতে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার কথা তুলে ধরে বলা হয়, “তালিকাভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হল, যা ১ আগস্ট থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।”

হাসমত আলী বলেন, “দুই বছর আগে এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৮ হাজারের মত কর্মকর্তা-কর্মচারী ছিলেন। অল্প অল্প করে ছাঁটাই করা হচ্ছিল। সবশেষ গতকাল পর্যন্ত সাড়ে চার হাজারের মত কর্মী ছিলেন। সবার বেতন ও অন্যান্য প্রাপ্য দিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

গত দুই বছর ধরে কারখানা গুলো পুরোদমে চালু না থাকলেও কর্মরতদের বেতন ভাতা দেওয়া হয়, বলেন তিনি।

প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দ থাকায় এবং নতুন করে এলসি খুলতে না পারায় এসব কারখানার কাঁচামাল আনা সম্ভব হয়নি বলেছেন হাসমত আলী।

তিনি বলেন, মালিক পক্ষ থেকে জানিয়েছে আবার কারখানা চালু করতে পারলে কর্মীদের সবাইকে ফিরিয়ে আনা হবে।

Pin It