জমা, জরিমানা আর জীবনযুদ্ধের চাপে রিকশাচালকরা

1785158857-23c8ab48ac0a90afa174dd161368a686

ক্লান্তিহীন দুটি পা আর একজোড়া বলিষ্ঠ হাতের ওপর ভর করে প্রতিদিন জীবিকার চাকা ঘোরে রাজধানী ঢাকার পথে। কর্মব্যস্ত নগরে তড়িঘড়ি ছুটে চলা পথচারীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেন রিকশাচালকেরা।

তবে সারাদিনের তীব্র গরম, ধুলোবালি আর ঘাম ঝরানো পরিশ্রমের পর রাত নামলেই বদলে যায় দৃশ্যপট। কপালে জমে থাকা নোনা জলের বিনিময়ে মেলা সামান্য অর্থ আর দুমুঠো ভাতের সংস্থানে তাদের ঠাঁই হয় রাজধানীর স্যাঁতসেঁতে গ্যারেজ কিংবা ঘিঞ্জি ব্যাচেলর মেসে।

উপার্জনের বড় একটি অংশ গ্যারেজ মালিকের জমা মেটাতে চলে যাওয়ার পর বাকি যা থাকে, তার ওপর যায় ট্রাফিক পুলিশের জরিমানা ও ডাম্পিংয়ের ঘা। এর সঙ্গে আছে সামাজিক অবহেলা আর অমানবিক জীবনযাত্রা।

সম্প্রতি রাজধানীর মধ্য বাড্ডা, উত্তর বাড্ডা, রামপুরা ও মিরপুর এলাকার একাধিক গ্যারেজ ও মেসে সরেজমিনে ঘুরে উঠে এসেছে এই চাকা ঘোরানো মানুষদের বেঁচে থাকার কঠিন বাস্তবতার নানা চিত্র।হাড়ভাঙা খাটুনিতে উপার্জন ও সামাজিক অবমূল্যায়ন
কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট থেকে ঢাকায় এসেছেন মো. আমিনুল ইসলাম।

দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে ঢাকার অলিগলিতে রিকশার প্যাডেল ঘুরে চলেছে তার। কপালে চিন্তার ভাঁজ নিয়ে আমিনুল জানান, সারাদিন রোদে পুড়ে ও বৃষ্টিতে ভিজে যা আয় হয়, তার থেকে গ্যারেজ মালিকের প্রতিদিনের জমা ও নিজের মেসের খরচ বাদ দেওয়ার পর দিনশেষে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা থাকে। মাসে যা জমা হয়, তা দিয়ে চার সন্তানের পরিবার চালাতে হিমশিম খেতে হয় তাকে। চার সন্তানের মধ্যে দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন, আর বাকি দুই সন্তান গ্রামে পড়াশোনা করছে।
নিজের জীবনকাহিনি বলতে গিয়ে আক্ষেপ ঝরে তার কণ্ঠে। তিনি বলেন, “রাজধানীর অর্ধেকেরও বেশি বড় বড় অফিসার ও স্যারদের আমরা প্রতিদিন রিকশায় করে অফিসে নিয়ে যাই। অথচ আমরা সমাজ থেকে কোনো শ্রদ্ধা পাই না। ‘রিকশাওলা’ শুনলেই মানুষ কেমন যেন অবহেলা করে কথা বলে। আমরাও তো মানুষ, এই দেশেরই নাগরিক। কিন্তু অসুস্থ হলে হাসপাতালে গেলে ঠিকমতো চিকিৎসাও মেলে না। আমাদের তো পকেটে অনেক টাকা নেই, আর কোনো ক্ষমতাধর মামা-খালুও নেই!”

সাম্প্রতিক সময়ে প্রধান সড়কে যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা ফেরাতে ব্যাটারিচালিত রিকশার ওপর ট্রাফিক পুলিশের কড়াকড়ি দেখা যাচ্ছে। সে প্রসঙ্গটি টেনে আমিনুল বলেন, পথ থেকে পুলিশ রিকশা ধরে ডাম্পিংয়ে নিয়ে যায় এবং ১৫ থেকে ২০ দিন আটকে রাখার পর ২০০০ টাকা জরিমানা আদায় করে। সেই জরিমানার পুরো টাকাই চালকের পকেট থেকে দিতে হয়, গ্যারেজ মালিকরা এর কোনো দায়ভার নেন না।

নীতির বৈপরীত্য তুলে ধরে আমিনুল প্রশ্ন তোলেন, “রিকশা যদি অবৈধই হয়, তবে এর মোটর ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে দেশে আনার অনুমতি দেওয়া হয় কেন? আর পুলিশই বা আটক করে টাকা নিয়ে আবার ছেড়ে দেয় কেন? এই খাতের মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে, যা সরকার দেখছে না। রিকশা বন্ধ হয়ে গেলে আমাদের মতো গরিব মানুষরা কী খেয়ে বাঁচবে? সরকার কি আমাদের ঘরে বসিয়ে খাওয়াবে?”

জরিমানার দাপটে গরিবের পিঠ এখন দেওয়ালে ঠেকে গেছে উল্লেখ করে তিনি আইনের সমান প্রয়োগ এবং ট্রাফিক পুলিশের হয়রানি বন্ধের দাবি জানান।

শাহাবুদ্দিন মোড়ের গ্যারেজ: চার দেওয়ালের আশ্রয়

মধ্য বাড্ডা পোস্ট অফিস গলির শাহাবুদ্দিন মোড়ে ৭০ বছর বয়সী মো. মুজিবুর রহমান জীবনের রিকশার গ্যারেজ। ১৯৮২ সাল থেকে দীর্ঘ চার দশক ধরে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত তিনি। বর্তমানে তার অধীনে ৬টি অটোরিকশা রয়েছে। জীবনের ভাষ্যে, আগে তার অনেক প্যাডেলচালিত রিকশা ছিল।

চলতি অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে মুজিবুর রহমান বলেন, “দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা রিকশাচালকদের সঙ্গে আমার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ওদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক এমন এক জায়গায় পৌঁছেছে যে, আমরাও ওদের ছাড়া চলতে পারি না, তারাও আমাদের ছাড়া থাকতে পারে না।”

তিনি জানান, তার গ্যারেজে আসা চালকদের জন্য বিনা খরচে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। পানীয় জল, বিদ্যুৎ কিংবা ঘরের জন্য চালকদের এক টাকাও অতিরিক্ত গুনতে হয় না, সবটাই সম্পূর্ণ ফ্রি। চালকদের সুবিধার জন্য গ্যারেজের সঙ্গে মেসের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেখানে দিনে দুই বেলা খাবার বাবদ তাদের মাত্র ১৫০ টাকা দিতে হয়। এর বাইরে তাদের আর কোনো বাড়তি খরচ নেই।

তবে অটোরিকশা আটক ও ডাম্পিং ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তোষ ঝরে তার কণ্ঠেও। রামপুরা ব্রিজ থেকে সম্প্রতি তার একটি গাড়ি পুলিশ ডাম্পিংয়ে নিয়ে গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “প্রশাসন থেকে গাড়িগুলো ধরে নিয়ে ১৫ থেকে ১৬ দিন ফেলে রাখা হয়। রিকশা এভাবে আটকে রাখার ফলে ভেতরের দামি ব্যাটারিসহ নানা যন্ত্রাংশ নষ্ট ও বাজেয়াপ্ত হয়ে যায়। পরে বড় অঙ্কের জরিমানা দিয়ে যখন গাড়ি ছাড়ানো হয়, তখন দেখা যায় গাড়িটির আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। আমাদের স্পষ্ট কথা—প্রশাসন হয় এই গাড়ি পুরোপুরি বন্ধ ঘোষণা করুক, আমরা আর চালাবো না; আর না হয় স্বাভাবিকভাবে চলতে দিক। এভাবে ধোঁকা দিয়ে আংশিক আটকে রেখে সাধারণ গরিব মানুষকে বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখে ঠেলে দেওয়া চরম অন্যায়।”

২৯ বছরের জীবনসংগ্রাম ও চালকদের স্বাস্থ্যসম্মত হেঁশেল
উত্তর বাড্ডার রিকশা গ্যারেজের সঙ্গেই গড়ে উঠেছে এক অনন্য মানবিক খাবারের মেস। প্রতিদিন ৪০ থেকে ৪৫ জন রিকশাচালকের জন্য যেখানে দুই বেলা পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার রান্না হয়। এই মেসটি পরিচালনা করেন ৫২ বছর বয়সী মো. আনিসুর রহমান নয়ন ও তার স্ত্রী ৪৭ বছর বয়সী রাজিয়া। তাদের বাড়ি বগুড়ার নন্দীগ্রাম থানায়।

নয়নের জীবনের গল্পটি লড়াই আর টিকে থাকার। ১৯৯৯ সালে সিলেট থেকে প্রথম ঢাকায় আসেন তিনি। এর আগে সিলেটে পায়ের রিকশা চালাতেন এবং ব্যাচেলর মেসে নিজে রান্না করে খাওয়ার অভ্যাসে রান্নার কাজ শেখেন। ১৯৯৯ সালে উত্তর বাড্ডায় এসে প্রথম দুই বছর রিকশা গ্যারেজের মেসে রান্নার দায়িত্ব নেন। পরে ২০০৩ সালে স্ত্রীকে ঢাকায় এনে স্থায়ীভাবে এই মেস পরিচালনার কাজ শুরু করেন।

মাত্র ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন নয়ন। আজ তার মেসে প্রতিদিন ৩০ কেজি চালের ভাত রান্না হয়। দৈনিক বাজার খরচ হয় ৫,০০০ থেকে ৬,০০০ টাকা। ভোর ৪টা থেকে শুরু করে রাত ১টা পর্যন্ত টানা খাটুনির পর স্বামী-স্ত্রী মিলে দিনে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা লাভ থাকে। এ ছাড়া গ্যারেজ দেখভাল ও বিদ্যুৎ বিল বাবদ মালিকের কাছ থেকে বেতন হিসেবে পান ৯,০০০ টাকা।

নয়ন বলেন, “বাইরের সাধারণ রেস্তোরাঁয় যে মাছের টুকরোর দাম ৮০ টাকা, আমি এখানে চালকদের মাত্র ১৫০ টাকায় দুই বেলা পেট পুরে ভাত, তরকারি ও ফ্রি ডাল খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিই। মেন্যুতে প্রতিদিন ৫ কেজি মাছ, সাড়ে ৪ কেজি গরুর মাংস অথবা সাড়ে ৫ কেজি মুরগির মাংসের সাথে ৮ থেকে ১০ কেজি সবজি রান্না করা হয়। ভাত ও তরকারি যার যতটুকু প্রয়োজন, সে ততটুকু খেতে পারে।”

বাইরের হোটেলের মতো পোড়া তেল বা ক্ষতিকারক পাম অয়েল ব্যবহার না করে ভালো মানের সয়াবিন তেল ব্যবহার করেন নয়ন। কারণ হিসেবে তিনি জানান, পোড়া তেলের খাবার খেলে চালকদের পেটের সমস্যা হয়, তারা কাজ করতে পারেন না। এ ছাড়া দূর-দূরান্ত থেকে কোনো চালক প্রথম ঢাকায় এলে মানবিক দিক বিবেচনা করে প্রথম দিন তার কাছ থেকে কোনো খাবারের টাকা নেওয়া হয় না—এক বেলা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে খেতে দেওয়া হয়।

তবে বাজারের বর্তমান অবস্থায় আক্ষেপ করে নয়ন জানান, বাজারে এখন ৩০০ টাকার নিচে কোনো ভালো মাছ পাওয়া যায় না, আর গরুর মাংসের কেজি ৮০০ টাকা। সারা মাস খাটুনির পর ঘরভাড়া, গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল দিয়ে তাদের জীবন চালানো কঠিন হয়ে পড়ে।

নয়নের স্ত্রী রাজিয়া চোখে জল নিয়ে বলেন, “বিগত ৩০ বছর ধরে ছেলেমেয়েদের গ্রামে রেখে ঢাকায় এসে চুলা ফুঁকছি। শেষ বয়সে শরীর আর চলে না। ভোর ৫টা থেকে রাত ৩টা পর্যন্ত রান্নাঘরের গরমে থাকতে হয়। আমাদের গ্রামের বাড়ি বগুড়ায়, বর্তমান নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বাড়িও বগুড়ায়। সরকার বয়স্ক ও কৃষক ভাতা দিচ্ছে, কিন্তু আমরা এখনো তা পাইনি। এই শেষ বয়সে যদি সরকার আমাদের একটু ভাতার ব্যবস্থা করত, তবে বাকি জীবনটা একটু শান্তিতে কাটাতে পারতাম।”

চালকের ঘাড়ে জরিমানার বোঝা: মিরপুরের চিত্র
বাড্ডা কিংবা রামপুরার বাইরে মিরপুর ১০ নম্বর এলাকাতেও চিত্র একই রকম। নেত্রকোনা থেকে আসা ৫০ বছর বয়সী অটোরিকশাচালক মো. নিজামুদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সারাদিন কষ্ট করে যে টাকা উপার্জন হয়, রিকশা পুলিশে ধরলে তার পুরোটাই চলে যায় রিকশা ছাড়াতে।

নিজামুদ্দিন বলেন, “মালিকের গাড়ি ডাম্পিং থেকে ছাড়াতে আমাদের নিজেদের পকেটের টাকা দিতে হয়, মালিকরা একটা টাকাও সাহায্য করেন না। তার চেয়ে বড় কষ্টের বিষয় হলো, সরকারি জরিমানার রসিদে লেখা থাকে ১২০০ টাকা, কিন্তু ট্রাফিক বক্স বা সংশ্লিষ্টরা জোর করে আমাদের কাছ থেকে রেখে দেয় ২০০০ টাকা। এই অতিরিক্ত ৮০০ টাকা কেন নেওয়া হলো, তা জানতে চাইলে মেলে দুর্ব্যবহার ও গালিগালাজ। গরিব হয়ে জন্মানোটাই কি আমাদের অপরাধ?”

চালকরা এ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে দুটি সুনির্দিষ্ট দাবি জানান:
১. রিকশা আটক করার সঙ্গে সঙ্গেই অন-স্পট জরিমানা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে গাড়ি ছেড়ে দিতে হবে, ডাম্পিংয়ের নামে দিনের পর দিন ফেলে রাখা যাবে না।
২. সরকারি স্লিপ বা রসিদে উল্লেখিত নির্দিষ্ট অঙ্কই নিতে হবে, কোনো অবস্থায় বাড়তি টাকা বা ঘুষ নেওয়া যাবে না।

আইন সবার জন্য সমান, শৃঙ্খলা ফেরাতেই অভিযান: ট্রাফিক পুলিশ
চালকদের এসব অভিযোগ ও ডাম্পিং প্রক্রিয়ার বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মোহাম্মদ জিয়াউর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি হয়রানির অভিযোগ পুরোপুরি নাকচ করে দেন।

এডিসি জিয়াউর রহমান জানান, রাজধানীর মূল ও ভিআইপি সড়কগুলোতে কোনো ধরনের ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের সুযোগ নেই এবং এ বিষয়ে ডিএমপির স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। চালকদের ‘একদিকে চলতে দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে ধরে জরিমানা করা হচ্ছে’—এমন দাবি সঠিক নয় বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমরা নিয়মিত মূল সড়কগুলোতে অভিযান চালাচ্ছি। এর ফলে বর্তমানে মূল সড়কগুলোতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং শিগগিরই এটি সম্পূর্ণ বন্ধ করা সম্ভব হবে।”

অতিরিক্ত জরিমানা আদায়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “এখানে কোনো ধরনের হয়রানি বা অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। ডিএমপির অধ্যাদেশ ও ডাম্পিং নীতিমালা অনুযায়ী অটোরিকশার জন্য জরিমানা নির্ধারিত আছে ঠিক ১২০০ টাকা। এর বাইরে একটি টাকাও বেশি নেওয়ার সুযোগ নেই। আর ডাম্পিং স্টেশনে রাখার পর যন্ত্রাংশ চুরির যে কথা বলা হচ্ছে, সে বিষয়ে আমাদের কাছে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মূল সড়কে অটোরিকশা বন্ধের ফলে যানজট ও সড়ক দুর্ঘটনা দৃশ্যমানভাবে কমে এসেছে দাবি করে তিনি আরও জানান, পায়ে চালিত রিকশার ক্ষেত্রে গুলশান, বারিধারা ও বনানী এলাকায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) সহায়তায় নির্দিষ্ট রঙের পোশাক, আইডি কার্ড এবং অনুমোদিত রিকশার সংখ্যা নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। রামপুরা ও বাড্ডা এলাকায় বর্তমানে মেট্রোরেল ও ওয়াসার উন্নয়নমূলক কাজের কারণে ট্রাফিক ব্যবস্থার ওপর কিছুটা অতিরিক্ত চাপ থাকলেও পুরো ঢাকার ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশ প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছে।

Pin It