নাহিদ রানার বদলে কেন মুশফিক হাসান

July 28, 2026

Screenshot 2026-07-28 022746

চোটে ছিটকে পড়া নাহিদ রানার বদলে অস্ট্রেলিয়া সফরে মুশফিক হাসানকে বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেন প্রধান নির্বাচক।

নাহিদ রানার বিকল্প তো নেই। তবে অতটা গতি না থাকলেও আগ্রাসনের দিক থেকে কিছুটা একই ঘরানার বোলার মুশফিক হাসান। সেই ভাবনা থেকেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের দলে নেওয়া হয়েছে তরুণ এই পেসারকে। টেস্ট দলে জায়গা হারানো রবিউল হককে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে পাঠানো হবে বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের হয়ে।

নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলামের চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়া সফরের বাংলাদেশের পেস আক্রমণ ঘিরে কৌতূহল ছিল অনেক। সেখানেই অনেকটা চমক দিয়ে নির্বাচকরা দলে নিয়েছেন মুশফিককে। ২৩ বছর বয়সী পেসার ২০২৩ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট স্কোয়াডে ডাক পেয়েছিলেন। পরের বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজেও তাকে রাখা হয়েছিল টেস্ট স্কোয়াডে। তবে অভিষেক হয়নি তার।

সম্প্রতি জিম্বাবুয়েতে একমাত্র টেস্টের বাংলাদেশ স্কোয়াডে জায়গা হয়েছিল রবিউলের। সেখানে তার খেলার সুযোগ হয়নি। না খেলেই বাদ দেওয়া হয়েছে তাকে অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে।
মুশফিক চোটের কারণে ঘরোয়া ক্রিকেটে গত দুই বছরে টানা লম্বা সময় খেলতে পেরেছেন কম সময়ই। গত জাতীয় লিগে তিনি ম্যাচই খেলতে পারেননি। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলেছেন ৫টি ম্যাচ। একটি ম্যাচ খেলেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে। গত মাসে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ অবশ্য খেলেছেন। দ্বিতীয় ম্যাচে উইকেট নিয়েছেন তিনটি।

রবিউল বড় দৈর্ঘ্যের সংস্করণের ঘরোয়া ক্রিকেটের নিয়মিত পারফরমার। গত জাতীয় লিগে দারুণ পারফর্ম করেই জিম্বাবুয়ে সফরে জায়গা করে নিয়েছিলেন।

এখন আবার রবিউলকে বাইরে রেখে কেন হুট করে মুশফিককে নেওয়া হলো, সেই প্রশ্ন উঠছে। প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সোমবার সংবাদ সম্মেলনে বললেন, উইকেটের চরিত্র আর বোলিংয়ের ধরন ভাবনায় রেখেই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
“মুশফিক হাসান ও রবিউল হক দুজন ভিন্ন ঘরানার বোলার। মুশফিক এমন একজন, যে কি না জোরে এসে হিট দা ডেক বল করে থাকে, যে ধরনের বোলাকে আমরা মনে করছি অস্ট্রেলিয়ায় উইকেট বেশি পেতে পারি। সেই চিন্তা করে থেকে আসলে মুশফিককে আনা হয়েছে।

রবিউল হকের ক্ষেত্রে যেহেতু আমরা একটা ধারণা মাথায় নিয়েছিলাম, সেটা থেকে বের হয়ে যাইনি আমরা এখনও। যেহেতু অস্ট্রেলিয়া সিরিজের দক্ষিণ আফ্রিকায় ‘এ’ দলের সিরিজ (ইমার্জিং) আছে, সেটিতে খেলবে সে। আমাদের কাছে মনে হয়েছে , অস্ট্রেলিয়ায় আমাদের বোলিং আক্রমণের সবাই যদি সুস্থ থাকে, তাহলে হাসান, তাসকিন, খালেদ, এবাদত আছে, সুযোগ তাদেরই বেশি পাওয়ার কথা আর কী। সেক্ষেত্রে রবিউলকে নিয়ে আমরা চিন্তা করেছি যে, ও দক্ষিণ আফ্রিকায় যাক, সেখানে খেলুক এবং লাল বলের ক্রিকেটের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুক। সেই চিন্তা থেকেই আসলে রবিউলকে আমরা রাখিনি (অস্ট্রেলিয়া সফরে)।”

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে শুরুতে একটি ত্রিদেশীয় একদিনের ম্যাচের সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। পরে চার দিনের ম্যাচ খেলবে তারা দুটি।


Powered By vQsolution