প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচনী কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিএনপি ও ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
দুই প্রার্থী হলেন, বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের অলি আহমেদ।
রোববার সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচনি কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই করেন।
আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এ সময় প্রার্থীর প্রস্তাবক/সমর্থকসহ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বেলা ১১টার দিকে আসে জামায়াতের প্রতিনিধি দল; এক ঘণ্টা পর ১২টার দিকে বিএনপির প্রতিনিধি দল উপস্থিত হয় নির্বাচন ভবনে।
প্রথমে ১১ দলীয় জোট প্রার্থীর এবং পরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাছাই করেন এ এম এম নাসির উদ্দিন।
বাছাই শেষে নির্বাচনি কর্তা দুটি মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়পত্রের প্রস্তাবক ও সমর্থক হলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু।
অলি আহমদের মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক শফিকুর রহমান এবং সমর্থক আব্দুল্লাহ আল আমিন।
বাছাই শেষে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রতিনিধি দলের ঢাকা ১৬ আসনের সাংসদ আব্দুল বাতেন সাংবাদিকদের বলেন, “অলি আহমেদের দুটি মনোনয়নপত্র ছিল, বাছাইয়ে প্রথম মনোনয়নপত্রটি বৈধ হয়েছে। তাই দ্বিতীয়টি পরীক্ষার প্রয়োজন হয়নি।”
পরে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে বৈধ ঘোষণা করা হয়।
এ সময় নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বলেন, “দুজনের মনোনয়নপত্র পরীক্ষা করে গৃহীত হয়েছে।”
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রত্যাহারের শেষ সময় রয়েছে ১৮ অগাস্ট আর সংসদ কক্ষে ভোট হবে ২০ অগাস্ট।
এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনীত করেছে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি; সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুবাদে তিনিই হতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের তেইশতম রাষ্ট্রপ্রধান।
বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের শুরুতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দলের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা করেন তারেক রহমান।





