ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান। সেই থেকে তিনি দিল্লিতে রয়েছেন। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে যাওয়ার পর গণভবনের পাশাপাশি ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাড়িতেও হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভেকু দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় শেখ মুজিবের স্মৃতি বিজড়িত বাড়িটি।
বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমান ১৯৬১ সালের ১ অক্টোবর থেকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের এই তিনতলা বাড়িতে বসবাস শুরু করেন।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এই বাড়িতেই সপরিবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়। তখন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান।
১৯৮১ সালে শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে শুরুতে তাকে ওই বাড়িতে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। পরে ওই বছরের ১০ জুন ঋণের কিস্তি পরিশোধ করার পর শেখ হাসিনা বাড়ির মালিকানা পান। তবে তিনি সেখানে থাকেননি।
পরে শেখ হাসিনা বাড়িটিকে জাদুঘরে রূপান্তরের জন্য ‘বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’-এর কাছে হস্তান্তর করেন। ‘বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্ট’ বাড়িটিকে জাদুঘরে রূপান্তরিত করে এবং নাম দেয় ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর’। অর্থাৎ ৩২ নম্বরের বাড়িটির মালিকানা এখন আর শেখ হাসিনার হাতে নেই। আর ধানমন্ডির সুধা সদনের মালিকানা রয়েছে তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদের নামে।
কাকডাকা ভোরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে কাকডাকা ভোরে ঝটিকা মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে কালীগঞ্জ মেইন বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় ১৫ থেকে ২০ জন নেতাকর্মী এ মিছিল বের করেন।
এ সময় আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন তারা। প্রায় ১ মিনিট ২০ সেকেন্ডের মিছিল শেষে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন অংশগ্রহণকারীরা।
মিছিলে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক শেখ সাদি, সহসভাপতি শাহরিয়ার সীমান্ত এবং সহসম্পাদক মোহাম্মদ তৌফিক ওমর সাব্বিরসহ জেলা ও কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের ১৫ থেকে ২০ জন নেতাকর্মী অংশ নেন।
মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ‘শেখ হাসিনা ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’, ‘জঙ্গিবাদের আস্তানা, জ্বালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও’ এবং ‘আইতাছে রে আইতাছে, শেখ হাসিনা আইতাছে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়। এ সময় তারা আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিও জানান।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের মিছিলের বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনার কাছ থেকেই জানতে পারলাম। আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি।





