রাজধানীর একটি আবাসিক এলাকা থেকে অভিনেত্রী রিধিকা রিধির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার সকাল ছয়টার দিকে সিলিং ফ্যানে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। এরপর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে।
তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
ভাটারা থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম জানান, শনিবার সকাল ৬টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে রিধিকে উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মাজহারুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা কুর্মিটোলা হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ পাই। বর্তমানে তার মা ও পরিবারের সদস্যরা থানায় আছেন। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একজনের সঙ্গে রিধির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। আজ ভোরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে ভিডিও কলে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ভিডিও কলে থাকা অবস্থাতেই রিধি আত্মহত্যা করে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা মামলা নিচ্ছি।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রিধির পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকেও তথ্য নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে তার সঙ্গে ওই ব্যক্তির সম্পর্ক ও মৃত্যুর আগে তাদের মধ্যে কী ঘটেছিল, সেটিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।
মডেলিংয়ের পাশাপাশি বেশ কটি নাটকে অভিনয় করেছেন রিধি। এর মধ্যে ‘এখানে মানুষ বিক্রি হয়’, ‘বহুরূপী’, ‘ডাবল হানিমুন’, ‘সুন্দরী’ উল্লেখযোগ্য।
সামনে এলো অভিনেত্রী রিধির চাঞ্চল্যকর তথ্য
রাজধানী থেকে অভিনেত্রী ও মডেল রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।
প্রেমঘটিত বিষয় নিয়ে ঝগড়ার জেরে শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে রিধি নিজেকে শেষ করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
ওই সময় কথিত প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখেই এই অভিনেত্রী আত্মহত্যা করেন বলেও দাবি করেছেন পরিবারের সদস্যরা।
পরিবারের সদস্যদের বরাতে ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, রিধির একজনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শনিবার ভোরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে ভিডিও কলে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে ভিডিও কলে রেখেই রিধি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও ঘটনার তদন্তের পরই এই অভিনেত্রীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওয়াদুদ জানিয়েছেন, অভিনেত্রী রিধির পরিবারের কাছ থেকে পাওয়া তার জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম লীনা আক্তার। পুলিশ তার পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি রিধির সঙ্গে ওই ব্যক্তির সম্পর্ক ও মৃত্যুর আগে তাদের মধ্যে কী ঘটেছিল, সেসব বিষয়েও তদন্ত করছে।
এর আগে শনিবার ভোরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় অভিনেত্রী ও মডেল রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মডেলিংয়ের মাধ্যমে শোবিজে পরিচিতি পান তিনি। পরবর্তী সময়ে অভিনয়েও নিয়মিত কাজ করেন।
বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের নজরে আসেন এই অভিনেত্রী। তার অভিনীত নাটকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘এখানে মানুষ বিক্রি হয়’, ‘বহুরূপী’, ‘ডাবল হানিমুন’ ও ‘সুন্দরী’।
এ ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ সক্রিয় ছিলেন রিধিকা রিধি। বিভিন্ন সময় তিনি তার কাজের ছবি প্রকাশ করতেন।





